বাংলাদেশে এআই ভয়েস রেকর্ডার আনলো গ্লোবাল ব্র্যান্ড 

রেকর্ডের সঙ্গে তৈরি করবে নোট!

  • ১৪০টির বেশি ভাষায় অডিও থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোট তৈরি করে
  • মিটিংয়ের সারমর্ম, করণীয় তালিকা ও মাইন্ড ম্যাপ তৈরি করতে পারে
  • ৬৪ জিবি স্টোরেজ ও ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত রেকর্ডিং সুবিধা

রেকর্ডের সঙ্গে তৈরি করবে নোট!
৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০  

মিটিং, ফোনকল, সাক্ষাৎকার বা লেকচারের কথোপকথন শুধু রেকর্ড নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোট, সারমর্ম, করণীয় তালিকা ও মাইন্ড ম্যাপে রূপান্তরের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে এসেছে বয়া নোট্রা অল-অ্যারাউন্ড রেকর্ডিং এআই ভয়েস রেকর্ডার। দেশের আইটি ডিস্ট্রিবিউটর গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি-এর মাধ্যমে ডিভাইসটি বাজারজাত করা হচ্ছে।

বয়া নোট্রা-তে অ্যাম্বিয়েন্স, ফোন কল ও ব্লুটুথ—এই তিন ধরনের রেকর্ডিং মোড রয়েছে। অডিও ধারণের জন্য এতে দুটি MEMS মাইক্রোফোন ও একটি VPU সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। নির্মাতার তথ্য অনুযায়ী, ডিভাইসটি সর্বোচ্চ ১০ মিটার দূরত্ব থেকেও অডিও ধারণ করতে পারে।

রেকর্ডিংয়ের মান উন্নত করতে এতে এআই-চালিত নয়েজ ক্যান্সেলেশন সুবিধা রয়েছে। এই প্রযুক্তি পরিবেশের পটভূমির শব্দ সর্বোচ্চ ৩০ ডেসিবেল পর্যন্ত কমিয়ে অডিওকে তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট রাখতে সহায়তা করে।

ডিভাইসটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এআই-ভিত্তিক অডিও প্রক্রিয়াকরণ। বয়া নোট্রা ১৪০টির বেশি ভাষায় অডিওকে লেখায় রূপান্তর করতে পারে। দীর্ঘ মিটিং বা আলোচনার রেকর্ড থেকে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সারমর্ম, করণীয় তালিকা এবং মাইন্ড ম্যাপ তৈরির সুবিধা দেয়।

এ ছাড়া এতে স্পিকার শনাক্তকরণ এবং এআইকে প্রশ্ন করার সুবিধা রয়েছে। ৬০টির বেশি টেমপ্লেট ব্যবহারের মাধ্যমে রেকর্ড করা তথ্যকে বিভিন্ন প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো যায়। ফলে দীর্ঘ আলোচনা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য আলাদা করে নেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যেই ডিভাইসটির এআই ফিচারগুলো তৈরি করা হয়েছে।

স্টোরেজের ক্ষেত্রে বয়া নোট্রা-তে রয়েছে ৬৪ জিবি লোকাল স্টোরেজ। পাশাপাশি আনলিমিটেড ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ডিভাইসটি সর্বোচ্চ ১১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত কল রেকর্ড করতে পারে। রেকর্ড করা বা প্রক্রিয়াজাত তথ্য MP3, WAV, TXT, DOCX, PDF, Markdown ও JPEGসহ বিভিন্ন ফরম্যাটে রপ্তানি করা যায়।

মাত্র ৪৫ গ্রাম ওজনের ডিভাইসটির নকশা ম্যাগনেটিক ও বহনযোগ্য। এটি স্মার্টফোন, ল্যাপটপ কিংবা হোয়াইটবোর্ডে সংযুক্ত করা যায়। ম্যাগসেফ-সমর্থিত ডিভাইসের পাশাপাশি নন-ম্যাগসেফ ডিভাইসের জন্য ম্যাগনেটিক রিংও সরবরাহ করা হয়েছে।

ব্যাটারির ক্ষেত্রে একবার চার্জে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা রেকর্ডিং এবং ৩৬৫ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই সময়ের কথা জানিয়েছে পরিবেশক। চার্জিংয়ের জন্য রয়েছে ইউএসবি-সি পোর্ট।

ডিভাইসটির তথ্য সুরক্ষায় এএস-২৫৬ এনক্রিপশন এবং টিএলএস ১.৩ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে রেকর্ড করা কথোপকথন ও তৈরি করা নোটের নিরাপত্তার বিষয়টিও ডিভাইসটির বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের বাজারে বয়া নোট্রা-এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ টাকা। গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি-এর মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে ডিভাইসটি এবং এর সঙ্গে রয়েছে এক বছরের ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি।

//ডিবিটেক/জিবিএ/এসপিএম/এমভিএনও//