বিদ্যুৎ বিলে শতকোটি টাকা সাশ্রয়

চট্টগ্রাম বন্দরে ৮ মেগাওয়াটের রুফটপ সোলার প্ল্যান্ট

  • চট্টগ্রাম বন্দরের ছাদে ৮.৪২ মেগাওয়াটের পরিবেশবান্ধব রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের চুক্তি
  • সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ওপেক্স মডেলে আগামী ২০ বছর বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে জিজিআই
  • কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুবিধা

চট্টগ্রাম বন্দরে ৮ মেগাওয়াটের রুফটপ সোলার প্ল্যান্ট
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৪  

বন্দরের প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত কার্যক্রমে সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে চট্টগ্রাম বন্দরের অব্যবহৃত ছাদে ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট (পিক) উৎপাদন ক্ষমতার রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

১৯ অক্টোবর, সোমবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারি প্রযুক্তি ও জ্বালানি সেবা প্রতিষ্ঠান গ্রিনার পারভেটিক্স ইনিশিয়েটিভ লিমিটেডের (জিজিআই) মধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়। চুক্তিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং জিজিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ নূরে আলম স্বাক্ষর করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের ক্লিন এনার্জি ট্রানজিশন নির্দেশনার অংশ হিসেবে অপারেটিং এক্সপেনস (ওপেক্স) মডেলে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এই আধুনিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করবে জিজিআই। ফলে প্রযুক্তি কাঠামোর এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বন্দর কর্তৃপক্ষকে শুরুতে কোনো ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার বা মূলধনি বিনিয়োগ করতে হবে না।

চুক্তি অনুসারে, কেন্দ্রটির হাই-টেক ডিজাইন প্রণয়ন, আধুনিক সোলার প্যানেল কেনা, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে জিজিআই। আগামী ২০ বছর নির্ধারিত মূল্যে বন্দরে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এতে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি আগামী দুই দশকে বন্দরের বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

প্রকল্পটিতে উন্নত নেট মিটারিং ব্যবস্থা যুক্ত থাকবে, যা উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে রপ্তানি বা সরবরাহের সুযোগ তৈরি করবে। এছাড়া এই গ্রিন এনার্জি উদ্যোগ কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও প্যারিস জলবায়ু চুক্তির রূপরেখা অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব বন্দর পরিচালনায় বড় ভূমিকা রাখবে।

//ডিবিটেক/সিটিপিআর/এসএমই/বিপিও//