পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন মাইলফলক স্থাপন করল টেক জায়ান্ট ওয়ালটন

ওয়ালটনের ‘সোলার ইকো-সিস্টেম’ প্রযুক্তি উন্মোচন

  • টেক জায়ান্ট ওয়ালটন ৩২ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংরক্ষণের সমন্বিত ‘সোলার ইকো-সিস্টেম’ প্রযুক্তি ব্যবস্থা উন্মোচন
  • অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বসুন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসে প্রধান অতিথি হিসেবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন
  • সোলার হাইব্রিড প্রযুক্তির এসি, ফ্রিজ, টিভি ও ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে

ওয়ালটনের ‘সোলার ইকো-সিস্টেম’ প্রযুক্তি উন্মোচন
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:১৭  

শিল্প খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের পথে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে শতভাগ পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চয়, জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের পাশাপাশি বাসাবাড়ির দৈনন্দিন ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য পরিচালনায় একটি সমন্বিত ‘সোলার ইকো-সিস্টেম’ প্রযুক্তি ব্যবস্থা উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

১০ অক্টোবর, শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসে এক জমকালো আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘ওয়ালটন সোলার ইকো-সিস্টেম’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম, ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, পরিচালক এস এম রেজাউল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি এবং তাহমিনা আফরোজ তান্না।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সোলার ইকোসিস্টেম ব্যবস্থার আওতায় নিজস্ব কারখানায় রূফটপ ও ভাসমান সোলার পাওয়ার প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ৩২ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে ওয়ালটন। যা দেশের বড় এক জেলা শহরের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার সমান। উৎপাদিত এই বিদ্যুতের বড় অংশ নিজস্ব কার্যক্রমে ব্যবহারের পাশাপাশি নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে বছরে গড়ে প্রায় ১১৫০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সোলারের মাধ্যমে ওয়ালটন যা করছে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে। এর ফলে আগামী এক-দুই বছরে দেশে বড় অঙ্কের বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, কম খরচে জনগণের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে এবং বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানি ও পরনির্ভরশীলতা কমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম জানান, তাদের লক্ষ্য শুধু ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নয়, বরং দেশেই প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটিয়ে বিশ্ববাজারে দেশের সক্ষমতা তুলে ধরা।

//ডিবিটেক/ এমএসএম/বিপিও/সিপিএম//