তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় ছয় ইভেন্ট

যবিপ্রবিতে তারামন বিবি হলে ক্রীড়া উৎসব

  • তারামন বিবি হলে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
  • ক্যারম, দাবা, বাস্কেট বল নিক্ষেপ, টেবিল টেনিস, লুডু ও ব্যাডমিন্টন।
  • খেলাধুলার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, সততা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

যবিপ্রবিতে তারামন বিবি হলে ক্রীড়া উৎসব
৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১১  

৫ অক্টোবর, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে “তারাদের ক্রীড়ানন্দন” শীর্ষক আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘অন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬’ শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘অন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া সপ্তাহ ২০২৬’-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের প্রভোস্ট ড. ফারহানা ইয়াসমিন।

উদ্বোধনের আগে হলের জিমনেসিয়াম এবং শিক্ষার্থীদের আঁকা “জুলাইয়ের ক্যানভাস” নামের দেয়াল পত্রিকা উদ্বোধন করা হয়। পাশাপাশি হলের শিক্ষার্থীদের জন্য চা চক্রের আয়োজন করে হল প্রশাসন।

এবারের প্রতিযোগিতায় তারামন বিবি হলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্যারম, দাবা, বাস্কেট বল নিক্ষেপ, টেবিল টেনিস, লুডু ও ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, “লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে। আমাদের কাজ সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে দেওয়া, তবে নিজেদের গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিজেদেরই। হলে থাকার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। এই হল ও বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের মনে করে দায়িত্বশীল নাগরিকের পরিচয় দিতে হবে।”

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, “বীর প্রতীক তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য ও সংগ্রামী ইতিহাস, যা আমাদের জন্য চরম গৌরবের। তার নামে নামাঙ্কিত এই হলের শিক্ষার্থীরাও নিজেদের দক্ষতা, পেশাগত জ্ঞান ও মানবিক গুণাবলী দিয়ে দেশকে গৌরবান্বিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের পাশাপাশি ছাত্রীদেরও সমান ও বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ছিল। সেই অর্জনের ধারাবাহিকতায় নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে নিজেদের আগে সৎ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান বলেন, “শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার এবং একাডেমিক ও কো-কারিকুলার কার্যক্রমের সার্বিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় পাশে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে কোনোভাবেই স্বেচ্ছাচারিতায় রূপ নিতে দেওয়া যাবে না; বরং নিজেদের বিবেক ও দায়বদ্ধতার জায়গায় অটল থাকতে হবে। যাবতীয় নেতিবাচকতা পেছনে ফেলে ইতিবাচক দিকগুলো লালন করতে হবে। নিজেদের স্বচ্ছতা ও সততার মাধ্যমে আমাদের ছাত্রীরা একদিন দেশ ও বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।”

//ডিবিটেক/এনএইচজে/বিপিও/এসএমপি//