চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ড্রোন নির্মাতা মোহাম্মদ আশির উদ্দীনের ল্যাব পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে জাতীয় ও স্থানীয় নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলকে নিজের বানানো ৫ ধরনের ড্রোন দেখিয়েছেন আশিক। ড্রোনগুলোর মধ্যে ছিলো ড্রিম লাইনার ৭৮৭, এমকিউ ড্রোন, মিগ ২৯, এয়ার বোট এবং হেলিকপ্টার।
১৬ জুন স্থানীয় সময় সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পশ্চিম পুইছড়ি ২ নম্বর ওয়ার্ড ইজ্জতিয়া স্কুলের সংলগ্ন এই ল্যাবে যান বিএনপির কেন্দ্রী নেতারা।
সাক্ষাতে বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ পুইছড়ি ছমদআলী সিকদার পাড়া এলাকার মো. শাহাব উদ্দিনের ছেলে ড্রোন নির্মাতা মো. আশির উদ্দিন বলেন, ইতোপূর্বে আমি ৭টি ড্রোন তৈরি করে সফলভাবে আকাশে উড়িয়েছি। প্রত্যেকটা ড্রোনে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০ কিলোমিটার রেঞ্জ দেওয়া হয়েছে।
এসময় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী কারিগরি সহযোগিতা হিসেবে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আশির উদ্দিনের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি তার আরও বেশি দক্ষতা অর্জনের জন্য সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দেন।
’
মোহাম্মদ আশির উদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎকালে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক
সিনিয়র সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন ছাড়াও প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন— বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, আবুল কাশেম, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা-ই-জামান সেলিম, সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আলী আব্বাস প্রমুখ।
এসময় বিপুল সংখ্যক স্থানীয় নেতা-কর্মী ও উৎসুক জনতা সেখানে ভীড় করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে বাঁশখালী পুইছড়ি ইজ্জতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৮ সালে মাস্টার নজির আহমদ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করার পর চট্টগ্রামের সামশুন্নাহার পলিটেকনিকে ভর্তি হন আশির। পরিবারের দেওয়া বিভিন্ন সময়ের হাত খরচের টাকা দিয়ে নানা ধরনের ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র নিয়ে আকাশে উড়া নানা ধরনের বিমান নিয়ে বানানোর স্বপ্ন দেখেন। ২০১৭ সালে প্রথম বিমান তৈরি করে স্বপ্ন গভীর হলেও তা ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নেয়। এরপর একে একে বেশ কিছু ড্রোন তৈরি করতে সক্ষম হই।