ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা চালু
- আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- গত ১৭ বছরের দুর্নীতি রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি ও যুবসমাজকে দক্ষ করার বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়
- ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদ বিতর্কে ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে হারিয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জয়ী হয়েছে
ঢাকা: ১৪ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার।
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর এফডিসিতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, "ডিগ্রি নিয়ে যুবকরা যাতে বেকার হয়ে ঘরে বসে না থাকে, সে জন্য বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা অর্জন করে স্বাবলম্বী করে তোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।" তিনি আরও জানান, সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছে এবং খালি জায়গায় খেলার মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
বিগত ১৭ বছরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "অতীতে দক্ষতা বৃদ্ধির নামে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে। প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি না করে একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে যুবসমাজকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।"
'ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি' আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে কেয়ার বাংলাদেশ ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। তিনি তাঁর বক্তব্যে তরুণদের মানসম্মত শিক্ষা, শোভন কাজ, সিকিউরিটি ও টেকসই ভবিষ্যতের দাবির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
‘দক্ষ যুবশক্তি গড়তে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে বিজয়ী হয় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিক দল। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, ড. এস এম মোর্শেদ, কেয়ার বাংলাদেশের পরিচালক রওনক জাহান এবং এসওএসের ডেপুটি ন্যাশনাল ডিরেক্টর মো. মাসুদ রানা।
//ডিবিটেক/এসএমইউ/এমআইএস//





