ই-কমার্স দিবসে নেই বিশেষ আয়োজন

ই-কমার্স দিবসে নেই বিশেষ আয়োজন
৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৮:৪৮  

৭ এপ্রিল ‘ই-কমার্স দিবস’। অন্য বছরে এই দিবস পালন করা হলেও এবার প্রশাসক কিংবা সাধারণ ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিশেষ কোনো উদ্যোগ নেয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটির প্রশাসকের অধীনে থাকায় শিগগিরই নির্বাচিত কমিটির কাছে সংগঠনটি ফিরিয়ে দিলেই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা পাবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। 

তাদের প্রত্যাশা, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে ই-কর্মাসের বাজার ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার হবে। নীতি-সহায়তা এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলে অনলাইন কেনাকাটার বাজারে ক্রেতার আস্থা বাড়বে। ফলে ব্যবসাও দ্রুত বাড়বে। ফলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে সমগ্র অর্থনীতিতে।

সূত্রমতে, ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল পেমেন্ট জনপ্রিয় হওয়ায়  ই-কমার্স খাতে প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। কারণ অনলাইন ব্যবসায়ে তরুণ-তরুণীরা বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। শুধু দেশে না, অনলাইন কেনাকাটার জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশ্বব্যাপীও। যারা দোকানে বেচাকেনা করেন, তারাও এখন দোকানের পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানের নামে অনলাইনে ওয়েবসাইট খুলে ব্যবসা করছেন।   

ই-ভ্যালি; ই-অরেঞ্জ ও আলিফ ওয়ার্ল্ড কেলেঙ্কারির পর বাংলাদেশে এখন জনপ্রিয় ই-কমার্স প্লাটফর্স হয়ে উঠেছে দারাজ। আস্থা নিয়ে টিকে আছে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আজকের ডিল ও বিক্রয় ডটকম। কর্মীদের বকেয়া বেতন ইস্যুতে কিছুটা স্তিমিত অবস্থায় চালডাল ডট কম। ডট কম। বাজার প্রসারে এগিয়ে যাচ্ছে অথবা ডটকম।   

ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে