১৬ মার্চের ট্রেনের টিকিট কিনতে
আধাঘণ্টায় রেলের সার্ভারে ১ কোটির বেশি হিট
চাহিদার তুলনায় টিকিটের সংখ্যা কম হওয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের রেলযাত্রার টিকিটযুদ্ধের চতুর্থ দিনে নিমিষেই শেষ হয়ে গেছে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনের প্রায় সব আসন। ৬ মার্চ, শুক্রবার সকাল ৮টায় ১৬ মার্চের টিকিট বিক্রি শুরুর মাত্র ৩০ মিনিটের মাথায় রেলওয়ের ওয়েবসাইট ও অ্যাপে রেকর্ড হয়েছে ১ কোটির বেশি হিট।
রেলওয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে প্রকাশ, এদিন ৮টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মাত্র ৩০ মিনিটে শুধু পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট পেতে ১ কোটি ৫ লাখ বার হিট করেছেন ব্যবহারকারীরা।
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৬ মার্চ ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতের জন্য ট্রেনের মোট আসন রয়েছে ৩১ হাজার ২৫৫টি। আর ওই দিনের জন্য সারাদেশে সব মিলিয়ে মোট আসনসংখ্যা ১ লাখ ৭২ হাজার ৫২৮টি। তবে বিপুল চাহিদার বিপরীতে এই আসনসংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যেই ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ১৪ হাজার ৪৪৩টি আসনের টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। একই সময়ে সারাদেশে বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে ২০ হাজার ৩৩২টি আসনের টিকিট।
বেলা ১১টায় রেলওয়ের ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ১৬ মার্চের ঢাকা-রাজশাহী রুটের ৫টি, ঢাকা-পঞ্চগড় রুটের ৩টি, ঢাকা-চিলাহাটি রুটের ২টি, ঢাকা-বেনাপোল রুটের ২টি, ঢাকা-দিনাজপুর রুটের ৩টি, ঢাকা-রংপুর রুটের ২টি, ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের ২টি এবং ঢাকা-খুলনা রুটের ৩টি ট্রেনের একটি আসনও অবশিষ্ট নেই।
এদিকে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি সকালে শুরু হলেও পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী সব ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়। মূলত সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে দুই ভাগে এই টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের আগে সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে। এই সূচি অনুযায়ী- ১৭ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ পাওয়া যাবে।
চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউএম



