‘মেড ইন বাংলাদেশ’ প্রযুক্তি ব্র্যান্ড গড়ার লক্ষ্য
প্রযুক্তি উৎপাদন-রপ্তানিতে বাংলাদেশ
- প্রযুক্তি উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশ হতে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করার আহ্বান
- এআই, সেমিকন্ডাক্টর, সফটওয়্যার ও ডেটা সেন্টারে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য
- গবেষণা, উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণে সমন্বিত পরিবেশ তৈরির তাগিদ
বাংলাদেশকে বিদেশি প্রযুক্তির ভোক্তা থেকে নিজস্ব উদ্ভাবন, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ভিত্তিতে প্রযুক্তি উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর নকশা, সফটওয়্যার, ডেটা সেন্টার ও ডিজিটাল সেবায় বিশ্ববাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
৩ অক্টোবর, শনিবার রাজধানীর বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস–২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম ডিজিটাল অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্য রয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও গবেষণার বিকল্প নেই।
তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসা করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “আজকের এই মিলনায়তনে দাঁড়িয়ে আমি কেবল কিছু তরুণ মুখ দেখছি না, আমি দেখছি আগামীর সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। তারা সমস্যার মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ না করে নিজেদের মেধা দিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান তৈরি করেছেন।”
এ বছর ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস’-এ বিভিন্ন খাত থেকে মোট ৩৫৫টি উদ্ভাবনী প্রকল্প জমা পড়ে। শিল্প, শিক্ষা, ব্যাংকিং, সরকারি প্রশাসন ও স্টার্টআপ অঙ্গনের ৪০ জন অভিজ্ঞ বিচারক দুই দিন প্রকল্পগুলো মূল্যায়ন করেন। সেখান থেকে ৯টি চ্যাম্পিয়ন, ১০টি উইনার এবং ২৫টি মেরিট পুরস্কার দেওয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, বিপুলসংখ্যক উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির কোনো ঘাটতি নেই।
দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিপুল তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী এবং সম্প্রসারিত মোবাইল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন এই অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে নিজস্ব উদ্ভাবন, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কার্যকর প্রযুক্তি পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
সম্প্রতি চীনের সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে পারস্পরিক সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময়, সাশ্রয়ী সংযোগ ও ডিজিটাল জনকল্যাণমূলক প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্যোগে সেই অগ্রযাত্রার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “আজ এখানে যেসব উদ্ভাবন স্বীকৃতি পাচ্ছে, সেগুলো আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। এগুলো বিদেশি প্রযুক্তির অন্ধ অনুকরণ নয়, বরং আমাদের নিজস্ব সমস্যার খাঁটি বাংলাদেশি সমাধান।”
তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পুরস্কার তাঁদের যাত্রার শেষ নয়, বরং নতুন অধ্যায়ের সূচনা। একটি নমুনা উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক পণ্যে এবং সেই পণ্যকে শিল্পে রূপ দিতে গবেষণা, মূলধন বিনিয়োগ ও যথাযথ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন। সরকার এসব ক্ষেত্রে তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকবে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতা তুলে ধরতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি এশিয়া-প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্সসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও মঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তরুণ উদ্ভাবকদের প্রথম গ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি তাদের পরীক্ষামূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণাগার ও শিল্প খাতের চাহিদার মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের পাশে আছি, সরকার আপনাদের পাশে আছে।”
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক, মানবিক, কল্যাণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সম্পদ সৃষ্টির সঙ্গে এ লক্ষ্য নিবিড়ভাবে যুক্ত। অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে শুধু বিচ্ছিন্ন উদ্ভাবনী আয়োজন, পুরস্কার প্রদান বা গবেষণা যথেষ্ট নয়। উদ্ভাবন, গবেষণা ও ব্যবসার মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করতে হবে। সরকার, ব্যবসায়িক খাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে একটি কার্যকর সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা জরুরি।
গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নির্ধারণ এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পগুলোর সমন্বিত গুচ্ছ তৈরি করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এতে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুযোগ ও গুরুত্ব বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও উদ্ভাবনকে বাজারজাতকরণ, ইনকিউবেশন ও বাণিজ্যিকীকরণের ক্ষেত্রে এখনও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার উদ্ভাবনবান্ধব সমন্বিত পরিবেশ ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের গবেষণা অবকাঠামো এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও একাডেমিয়া, শিল্পখাত ও সরকারের মধ্যে কার্যকর সংযোগের ঘাটতি রয়েছে। ফলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবে রূপান্তর করা যাচ্ছে না।
উদ্ভাবন এগিয়ে নিতে অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ, অর্থায়ন, নীতি-সহায়তা এবং কার্যকর উদ্ভাবন পরিবেশ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
বিজ্ঞান সচিব বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রথমবার আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, একাডেমিয়া ও শিল্পখাতসহ বিভিন্ন অংশীজনকে অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে।
মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, অর্থায়নে প্রবেশাধিকার, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগে কর-সহায়তা এবং আধুনিক গবেষণা সরঞ্জাম আমদানিতে নীতি-সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ চলছে।
তিনি জানান, এই উদ্ভাবন পরিবেশ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ইউএনডিপিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও সবুজ অর্থায়নসহ স্টার্টআপ অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এবং গবেষণা ও উন্নয়নে কর-সহায়তার বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে।
মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে উৎপাদননির্ভর প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক শিক্ষা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতের জন্য চারটি প্রধান স্তম্ভকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন; গবেষণা থেকে বাজার; উদ্ভাবন থেকে বাজার; এবং সীমান্তবর্তী প্রযুক্তি। গবেষণার সঙ্গে শিল্পের প্রয়োজনের সংযোগ তৈরি, উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণ এবং সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানোটেকনোলজি, বায়োটেকনোলজি ও মহাকাশ গবেষণার মতো উদীয়মান প্রযুক্তিতে সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.) বলেন, “শুধু সংযোগ থাকাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন মানসম্মত ইন্টারনেট, উপযুক্ত ডিভাইস ও সাশ্রয়ী মূল্য। নিয়ন্ত্রণ যেন উদ্ভাবনের পথে বাধা না হয়ে সহায়ক হয়, এটাই আমাদের লক্ষ্য।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমাস কবীর। আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, বিআইআইএনের নির্বাহী পরিচালক রুবাবা দ্দৌলা মতিনসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিচারক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
অনুষ্ঠানটির আয়োজক বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি উপস্থাপক স্পনসর এবং কার্টআপ পাওয়ার্ড বাই পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কৌশলগত অংশীদার হিসেবে আয়োজনে যুক্ত ছিল।
এবারের পুরস্কারে চ্যাম্পিয়ন ও উইনার হওয়া উদ্ভাবনগুলো এশিয়া-প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের জন্য মনোনীত হবে।
চ্যাম্পিয়ন পাওয়া ৯টি উদ্ভাবনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান শ্রেণিতে রয়েছে সক্রিও টেকনোলজিস লিমিটেডের ‘সক্রিও ডিএমএস’, টেটন প্রাইভেট লিমিটেডের ‘মাইইসিজিএআই’ এবং গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের ‘দ্য সুখী ওয়ে: কানেক্টেড কেয়ার থ্রু ইন্টিগ্রেটেড ডিজিটাল সার্ভিসেস’।
শিক্ষার্থী শ্রেণিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এজেন্টআইএএম’, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের ‘ক্রনিক’, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সিঙ্ক ভি-১: ব্রেইল এমবসার’, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরবর’ এবং বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ পাবলিক কলেজের ‘ব্রেইলব্রিজ’। ব্যক্তিগত বা দলীয় শ্রেণিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘বিন্দো’।
//ডিবিটেক/ এমআরপিএস/এসপিএম/পিসিবি//





