দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে থাকছে ভর্তি পরীক্ষা
সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারি বহাল
- সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতি বহাল রাখা হয়েছে
- দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি
- জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ছয় বছর বা তার বেশি
সরকারি মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ১৩ অক্টোবর, মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ঘোষিত নীতিমালায় জানানো হয়, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল লটারি ব্যবস্থা বহাল থাকছে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এন্ট্রি শ্রেণিতে এবং আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।
জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর বয়স ‘৬ প্লাস’ ধরে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারি তারিখে শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারবে। অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এ নিয়ম অনুসারে বয়স গণনা করতে হবে। শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণের জন্য ভর্তির আবেদন ফরমের সাথে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করা যাবে। এছাড়া নীতিমালায় প্রতিটি শ্রেণির একটি শাখায় সর্বোচ্চ শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫৫ জন নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ও মান বণ্টন
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে অটোমেটেড ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। অন্যদিকে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বরের মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে।
পরীক্ষার মান বণ্টন ও সময়সূচির ক্ষেত্রে জানানো হয়:
-
দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি: মোট ৫০ নম্বরের এক ঘণ্টার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে।
-
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি: মোট ১০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর থাকবে।
//ডিবিটেক/এইচএএইচএন/এসভিপি/এমআইএসটি//





