১৯৯১ সাল থেকে প্রকাশিত নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে ওয়েবসাইট

১৯৯১ সাল থেকে প্রকাশিত নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে ওয়েবসাইট
৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩  

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলো যখন তাদের ইশতেহার প্রকাশ করছে, তখন  ১৯৯১ সাল থেকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে  প্রধান দলগুলোর ইশতেহারগুলো নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে একটি ওয়েবসাইট। 

একটি গবেষণা প্রকল্পের অংশ হিসেবে এতে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের জন্যে ইতিমধ্যে প্রকাশিত ইশতেহারগুলোও যুক্ত করা হয়েছে। “বাংলাদেশের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ইশতেহার” শীর্ষক এই গবেষণা প্রকল্পের গবেষক হচ্ছেন আলী রীয়াজ এবং এম এম মুসা। 

ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, “১৯৯১ সালের পর থেকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে কী প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন এবং কী কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছিলেন গবেষক, সাংবাদিক এবং নাগরিকদের তা বিবেচনা করতে সহযোগিতার লক্ষ্যে এই ডাটাবেইজে বিভিন্ন দলের প্রকাশিত ইশতেহার একত্রিত করা হয়েছে।”

গবেষণা প্রকল্পের বর্ননায় বলা হয়েছে যে, “গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে নির্বাচন। সংসদীয় ব্যবস্থায় জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নাগরিকরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। অবাধ, সুষ্ঠূ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন একটি দেশের শাসনব্যবস্থায় নাগরিকের অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত করে। নির্বাচনে একাধারে রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়ার পাশাপাশি প্রায় প্রত্যেকটি দল ‘নির্বাচনী ইশতেহার’ প্রকাশ করে যাতে দলের আদর্শিক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচী সন্নিবেশিত হয়। নির্বাচনী ইশতেহার হচ্ছে নাগরিকদের কাছে দলের প্রতিশ্রুতি। সেই বিবেচনায় ইশতেহার হচ্ছে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিজয়ী হয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের পরবর্তী কার্যক্রম বিচারের মাপকাঠি।”

অধ্যাপক আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর এবং আমেরিকান ইন্সিটিটিউট অব বাংলাদেশ (এআইবিএস)-এর প্রেসিডেন্ট। ড. রীয়াজ বর্তমানে উপদেষ্টা পদ-মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে কর্মরত। এম এম মুসা লেখক ও গবেষক, পেশাগত জীবনে তিনি সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন এবং দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিনি নিয়মিতভাবে উন্নয়ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবন বিষয়ে লেখালেখি করেন।

ডিবিটেক/এমআরটি/ইকে