নিবন্ধিত মোবাইল ফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়

নিবন্ধিত মোবাইল ফোন ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করার উপায়
৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৯:৪৭  

বাংলাদেশে একজন ব্যক্তির একটি এনআইডির বিপরীতে প্রথমে ২০টি এবং পরে ১৫টি পর্যন্ত সিম ব্যবহারের অনুমতি ছিল, যা বর্তমানে ১০-এ নামিয়ে আনছে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি)। ফলে এনইআইআর ম্যাপিংয়ে এনআইডির বিপরীতে হিস্টোরিক ডেটায় অনেক বেশি হ্যান্ডসেটের সংখ্যা দেখাচ্ছে বলে  জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। এতে আতঙ্কিত না হয়ে নিজে ব্যবহার করেন না এমন ফোন ডিরেজিন্ট্রেশন করার আহ্বান জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তাহলে আসুন জেনে নেই কীভাবে নিবন্ধিত মোবাইলফোন ডিরেজিস্ট্রেশন করতে হবে। 

তার আগে জেনে নেই কেন ফোন ডি রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন হবে? 

টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। এর ফলে দেশের নেটওয়ার্কে নিবন্ধনহীন বা আনঅফিসিয়াল মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধ হবে। তবে নিবন্ধিত মোবাইলফোন গ্রাহক যদি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে চান সেক্ষেত্রে আগে হ্যান্ডসেটটিকে ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে নিবন্ধিত একটি সিম ফোনে থাকতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার ডিজিট উল্লেখ করতে হবে।

নিবন্ধিত মোবাইলফোন ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে প্রথমে এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করে ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। তালিকা থেকে ডিভাইস নির্বাচন করতে হবে। ‘ডি-রেজিস্টার’ এ ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় বিবরণ দিয়ে ডি-রেজিস্টার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।  ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#)

মোবাইলের কল অপশনে যেয়ে ডায়াল করুন *১৬১৬১#। এরপর ডি রেজিষ্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।
 
এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বিটিআরসি। তবে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সময় বাড়িয়ে ১ জানুয়ারি থেকে সিস্টেমটি চালু করা হয়। এই সিস্টেম চালুর সঙ্গে সঙ্গে একজন ব্যক্তির এনআইডির বিপরীতে কত সিম ব্যবহার হয়েছে, সিমের বিপরীতে কত ডিভাইস ব্যবহার হয়েছে তা সহজেই জানা যাচ্ছে। 
ডিবিটেক/এমইউএম