যুবদল নেতা আমজাদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ
ইন্টারনেট বিল নিয়ে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ
- বকেয়া ইন্টারনেট বিল নিয়ে বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী বেলাল হোসেনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে
- আহত বেলালকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে
- ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে; লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তের কথা জানিয়েছে পুলিশ
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নে বকেয়া ইন্টারনেট বিলকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী মো. বেলাল হোসেনকে মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা আমজাদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে বলে বেলাল হোসেনের অভিযোগ।
আহত বেলাল হোসেন হাজিরপাড়া ইউনিয়নের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি লক্ষ্মীপুর কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের ব্যবস্থাপক এবং হাজিরপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। অভিযুক্ত আমজাদ ভূঁইয়া একই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী বলে জানা গেছে।
বেলাল হোসেনের অভিযোগ, আমজাদ ভূঁইয়ার কাছে প্রায় চার মাসের ইন্টারনেট বিল বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন বিল পরিশোধ না করায় নিয়ম অনুযায়ী ২০ সেপ্টেম্বর তার ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন সন্ধ্যায় আমজাদ ভূঁইয়া কয়েকজন লোক নিয়ে তার দোকানে এসে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বেলাল হোসেন বলেন, তাকে মারধর করা হলে তার হাত ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অনলাইনে পাওয়া প্রতিবেদনে হামলায় তার দুই হাত আহত হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে ঘিরে বিভিন্ন প্রতিবেদনে হামলার দৃশ্য থাকার কথা বলা হলেও, ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ মূল উৎস ও ঘটনার প্রতিটি দৃশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাই ভিডিওতে দৃশ্যমান নয়—এমন কোনো নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
অভিযোগের বিষয়ে আমজাদ ভূঁইয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা যায়নি।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রব বলেন, বিষয়টি তাদের জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি নিয়ে অনলাইনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে পুলিশি তদন্ত বা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো পাওয়া যায়নি।
//ডিবিটেক/ ডিএসও/ ডিপিও//





