আগামী নভেম্বরে ‘একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশন ডে’ পালনের ঘোষণা; ঢাবিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত
একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতায় গবেষণাকে কর্মসংস্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ ইউজিসির
- শিক্ষা ও গবেষণাকে শিল্প খাত এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করতে ইউজিসির সমন্বিত কৌশলগত পরিকল্পনা
- ক্যাম্পাস থেকেই উদ্ভাবক তৈরিতে সিড ফান্ডিং, সায়েন্স পার্ক ও উদ্যোক্তা ইনস্টিটিউট স্থাপনের সিদ্ধান্ত
- বাজেটে স্টার্টআপে ৫০০ কোটি এবং সৃজনশীল অর্থনীতিতে ব্যাংশের সিএসআরসহ অতিরিক্ত তহবিলের প্রস্তাব
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে দেশের শিল্প খাত ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করে জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ইউজিসি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন: বর্তমান সরকার ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নীতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান’ শীর্ষক সেমিনারে মূল বক্তার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক মামুন উল্লেখ করেন, গবেষণা থেকে উদ্ভাবন, সেখান থেকে নমুনা পণ্য তৈরি, বাণিজ্যিকীকরণ এবং সবশেষে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এটাই হওয়া উচিত উচ্চশিক্ষার মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ‘একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশন ডে’ পালনের ঘোষণা দেন তিনি। শিল্প খাতের চাহিদা অনুযায়ী কারিকুলাম আধুনিকায়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ এবং ক্যাম্পাস থেকেই উদ্যোক্তা তৈরিতে ‘সিড ফান্ডিং’ ও ‘ইনোভেশন গ্রান্ট’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এছাড়া ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’ এবং ‘সায়েন্স পার্ক’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে ইউজিসির।
অর্থনৈতিক অর্থায়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্টার্টআপ তহবিলের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশ-বিদেশের বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের এক ছাতার নিচে এনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
//ডিবিটেক/আইএইচইউ/এসএমই/সিএমপি//





