ফলোআপঃ ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বকে হয়রানির হাতিয়ার বানানোর অভিযোগ

ফুডপান্ডার ৫ কর্মকর্তার হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন

  • ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত থেকে পরোয়ানা জারির দিনেই হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন ফুডপান্ডার ৫ শীর্ষ কর্মকর্তা
    ফুডপান্ডার ৫ কর্মকর্তার হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন
    ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২৩  

    ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরই ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারিন রেজাসহ শীর্ষ ৫ কর্মকর্তা উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে আগাম জামিন গ্রহণ করেছেন। গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) হাইকোর্ট তাদের এই জামিন মঞ্জুর করেন। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন বেঞ্চ কতদিনের জন্য তাদের জামিন দিয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।

    জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আদালতের পরোয়ানা জারির পরপরই ডেলিভারি হিরো স্টোরস (ডিএইচ স্টোরস)—যা ফুডপান্ডা বাংলাদেশের একটি সিস্টার কনসার্ন—এক বিবৃতির মাধ্যমে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে। ডিএইচ স্টোরস জানায়, একটি আইনমান্যকারী করপোরেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয় যে, তাদের কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা কোনো ধরনের ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। সিএমএম আদালত থেকে জারি হওয়া পরোয়ানাটি মামলার একটি সাধারণ আইনি বা বিচারিক প্রক্রিয়া এবং হাইকোর্ট ইতোমধ্যেই পাঁচ কর্মকর্তার জামিন নিশ্চিত করেছেন।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মোহাম্মদ শিহাব মাহমুদ বশির নামে এক সরবরাহকারীর সঙ্গে চলমান বাণিজ্যিক ও পাওনা লেনদেনজনিত দ্বন্দ্বে এই মামলাগুলো করা হয়েছে। বশিরের কাছে ডিএইচ স্টোরসের পাওনা অর্থ ও চেক ডিজঅনারের মতো বিষয় থাকায়, নিজের দায় এড়াতে এবং প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনাকে হয়রানি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই তিনি পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ফৌজদারি মামলা করেছেন। গুলশান থানা দ্বারা তদন্ত করা চারটির মধ্যে দুটি তদন্ত প্রতিবেদনে ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের প্রমাণ নেই, বরং বাদী পক্ষই কোম্পানির কাছে দেনাদার।

    প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, একটি সাধারণ বাণিজ্যিক বা চুক্তিভিত্তিক বিরোধকে অহেতুক ফৌজদারি মামলায় রূপান্তরের এমন অপচেষ্টা দেশের বাণিজ্যিক পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগ (এফডিআই) নিরুৎসাহিত করতে পারে। ডিএইচ স্টোরস আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কোনো অপরাধমূলক দায় ছাড়াই এই বিরোধের বাণিজ্যিক সত্যতা বিচারে তুলে ধরতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
    //ডিবিটেক/এসএমই/এমআইএসটি/বিপিও//