নোট থেকে কাজে এআই
ইনফিনিক্সে ওয়ান-ট্যাপ এআই
- এক চাপে নোট ও তথ্য সংরক্ষণ
- স্ক্রিনের তথ্য শনাক্ত করে এআই
- নোট গুছিয়ে রাখে মাইন্ডহাব
দ্রুত নোট নেওয়া থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করা—স্মার্টফোনে এসব কাজ সহজ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ‘ওয়ান-ট্যাপ এআই’ ফিচার এনেছে ইনফিনিক্স। হট ৭০ প্রো ফাইভজিতে থাকা এই ব্যবস্থায় এক চাপেই ফ্ল্যাশমেমো বা এআই মাইন্ডহাব চালু করা যায়। হট ৭০ সিরিজের অন্য মডেল এবং নোট ৬০ সিরিজের স্মার্টফোনেও ফিচারটি রয়েছে।
ওয়ান-ট্যাপ এআই মূলত তিনটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে—ওয়ান-ট্যাপ বাটন, ফ্ল্যাশমেমো এবং এআই মাইন্ডহাব। ফলে আলাদা অ্যাপে গিয়ে তথ্য লিখে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন কমে যায়।
ওয়ান-ট্যাপ বাটনে একবার চাপ দিলেই ফ্ল্যাশমেমো বা এআই মাইন্ডহাব চালু করা যায়। এতে ক্লাস, মিটিং কিংবা দৈনন্দিন কাজের সময় হঠাৎ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত সংরক্ষণ করা সম্ভব।
স্ক্রিনের তথ্য শনাক্ত করে এআই
ফ্ল্যাশমেমোর বিশেষত্ব হলো নোট সংরক্ষণের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। স্ক্রিনে থাকা তারিখ, সময়, ঠিকানা, ইমেইল বা ফোন নম্বর শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারে এটি।
যেমন, কোনো তারিখ শনাক্ত হলে সেখান থেকে ক্যালেন্ডারে সময়সূচি তৈরি করা যায়। ঠিকানা থাকলে ম্যাপ চালু করা যায়। একইভাবে ইমেইল ঠিকানা বা ফোন নম্বর শনাক্ত করে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগও পাওয়া যায়।
তথ্য খুঁজে দেবে এআই মাইন্ডহাব
নোট নেওয়ার পর সেগুলো খুঁজে পাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে ওয়ান-ট্যাপ এআই। ফ্ল্যাশমেমোতে সংরক্ষিত স্ক্রিনশট, নোট ও অন্যান্য তথ্য এআই মাইন্ডহাব এক জায়গায় সংগঠিত করে রাখে।
ফলে বিভিন্ন মেসেজ, অ্যাপ বা আলাদা নোটের মধ্যে তথ্য খোঁজার প্রয়োজন কমে যায়। শিক্ষার্থীরা ক্লাসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কর্মজীবীরা মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত, রিমাইন্ডার বা যোগাযোগের তথ্য দ্রুত সংরক্ষণ ও পরে ব্যবহারের সুযোগ পান।
স্মার্টফোনে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ, শনাক্তকরণ ও সংগঠনের এই তিন ধাপকে এক ব্যবস্থায় আনাই ওয়ান-ট্যাপ এআইয়ের মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে সাধারণ নোট নেওয়ার কাজকে এআই-সহায়িত তথ্য ব্যবস্থাপনায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
//ডিবিটেক/আইএইচএম/এমআইএস/বিপিও//





