ডিজিটাল গণমাধ্যমে এক যুগ

বোমার ১৫ বছরে পদার্পণ

  • স্বাধীন অনলাইন গণমাধ্যমের পরিবেশের দাবি
  • নিবন্ধন ও নীতিমালায় স্বচ্ছতার দাবি 

বোমার ১৫ বছরে পদার্পণ
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৩  

আলোচনা, দোয়া ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে ১৪ বছরের পথ পেরিয়ে ১৫ বছরে পদার্পণ করেছে দেশের অনলাইন গণমাধ্যম উদ্যোক্তা ও পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন (বোমা)। ২১ সেপ্টেম্বর, সোমবার রাজধানীর শান্তিনগরের সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়। 

সংগঠনের সভাপতি এ কে এম শরিফুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব লতিফুল বারি হামিম। তিনি বাংলাদেশের ডিজিটাল গণমাধ্যমের বিকাশে বোমার ভূমিকার প্রশংসা করেন। লতিফুল বারি হামিম বলেন, বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় ডিজিটাল গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। 

সভাপতির বক্তব্যে এ কে এম শরিফুল ইসলাম খান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনলাইন গণমাধ্যমের অনুমোদন ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ রাজনৈতিক পরিচয় ও দলীয় পদ-পদবি বিবেচনায় নিয়ে অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন দিয়েছেন।

তিনি বর্তমান সরকারের কাছে অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা সংস্কারের দাবি জানান।

তবে এসব বক্তব্য সংগঠনের সভাপতির রাজনৈতিক অভিযোগ ও মতামত হিসেবে এসেছে; অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এ দাবিগুলোর পক্ষে কোনো পৃথক নথি বা সরকারি পরিসংখ্যান উপস্থাপনের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

বোমার নির্বাহী সভাপতি ড. রেজাউল করিম চৌধুরী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সদস্য ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে  বলেন, ১৪ বছরের পথচলার এই মাইলফলক সংগঠনের জন্য আনন্দ ও গর্বের। সদস্যদের উপস্থিতি ভবিষ্যতে আরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে উৎসাহ দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান রতন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদুল হাসান বুলবুল, আরিফুল ইসলাম, মিয়া শাজাহান, মোহাম্মদ শামীম, সার্জেন্ট সাইদুর রহমান, মো. নিয়াজ, মাহফুজা আক্তার, রফিকুল হুদা, রাশেদ বাবু, আপেল মাহমুদ ও আসমা রহমানসহ বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।
//ডিবিটেক/এসআইকে/এমএসআই/বিপিও//