মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের চাচা ছিলেন তিনি

বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাম পারভেজ ফকিরের দাফন সম্পন্ন

  • মঙ্গলবার নিকরাইল পলশিয়া রানী দিনমণি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা হয়।
  • রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার শেষে নলুয়া কবরস্থানে দাফন।
  • ২৫ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন
    বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাম পারভেজ ফকিরের দাফন সম্পন্ন
    ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১০  

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের চাচা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সালাম পারভেজ ফকিরের জানাজা ও দাফন ২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার পর তাকে নিকরাইলের নলুয়া কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে দাফন করা হয়।

    বাদ জোহর ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের নিকরাইল পলশিয়া রানী দিনমণি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

    জানাজার আগে সালাম পারভেজ ফকিরের স্মৃতিচারণ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “মরহুম সালাম পারভেজ ফকির আমার চাচা হলেও ছিলেন বন্ধুর মতো। তিনি ’৭১-এর সূর্যসৈনিক। বাল্যকাল থেকে আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি। তার সঙ্গে আমার শৈশবের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজকের বাংলাদেশ পেয়েছি, তিনি তাঁদেরই একজন। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। আমরা সবাই একদিন চলে যাব। তার আত্মার মাগফিরাতের জন্য আমি সকলের কাছে দোয়া চাই।”

    জানাজায় অংশ নেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামান শাহীন, টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান, ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু এবং ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ এম আজিজুর রহমান। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

    উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে সালাম পারভেজ ফকির ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সেখানে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
    //ডিবিটেক/জেএনইউ/এসএমই/এমআইএস//