১৪০ শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য এআই দক্ষতায় সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ
নোবিপ্রবিতে এটুআই-এর দুদিনব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ
- নোবিপ্রবি ও এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে ১৪০ জন শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ শুরু
- জেনারেটিভ এআই, প্রম্পট রাইটিং, ভাইব কোডিং ও ডাটা প্রাইভেসির ওপর হাতে-কলমে শিক্ষা
- একাডেমিক ও গবেষণায় এআই-এর নৈতিক ব্যবহার এবং প্লেজিয়ারিজম রোধের আহ্বান
নোয়াখালী, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর): জেনারেটিভ এআই, মেশিন লার্নিং আর্কিটেকচার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ক্লাউড-বেসড এআই টুলসের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে তরুণদের পারদর্শী করে তুলতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দুই দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। 'অ্যাসপায়ার টু ইনোভেশন' (এটুআই)-এর সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪০ জন চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী চার পৃথক ব্যাচে এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সেশনে নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটুআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন এবং প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট প্রধান শামস উল আরেফিন খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এটুআই-এর 'ফিউচার অব ওয়ার্ক' টিম লিড সালাহউদ্দিন মোহাম্মদ উজ্জ্বল।
অন্যান্যের মধ্যে প্রোভিসিস অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাসান উদ্দিন, আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবী, আইসিই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান, এটুআই-এর চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, হেড অব কমিউনিকেশনস মোহাম্মদ সফিউল আজম এবং ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির সহকারী পরিচালক এম নিয়াজ মোহাম্মদ নাজমুল হুদা মিঠুসহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে দৈনন্দিন শিক্ষা ও পেশাগত কাজে এআই-এর ব্যবহার বাড়াতে হবে। তবে গবেষণা ও একাডেমিক কাজে এআই ব্যবহারে অবশ্যই নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে এবং প্লেজিয়ারিজম থেকে মুক্ত থাকতে হবে। এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন বলেন, পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী এআই শিক্ষায় সমৃদ্ধ করা জরুরি।
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ বক্তারা জানান, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি দিয়ে ভবিষ্যতে টিক থাকা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষণে সিভি ও কভার লেটার তৈরি, ভাইব কোডিং (vibe coding), একাডেমিক রিসার্চ, তথ্য যাচাইকরণ এবং ইন্টারভিউ অনুশীলনের ওপর হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে এআই-এর নৈতিক ব্যবহার, ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা (data privacy) এবং প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার বিষয়েও সচেতন করা হচ্ছে। সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হবে।
//ডিবিটেক/আরআই/এসএমই/এমএসআই//





