দূর্ঘটনায় আহত হাসিনের চিকিৎসায় অনলাইন ও আর্থিক সহায়তা
নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর চিকিৎসা সহায়তায় মেলবন্ধন
- নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী বখতিয়ার হাসিনের হাঁটুতে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
- প্রশাসন, বিভাগ ও অনলাইন ক্রাউড ফান্ডিং থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান
- মেডিকেল প্রযুক্তি ও অ্যাম্বুলেন্স সহায়তায় সুনিশ্চিত দ্রুত চিকিৎসা
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল শিক্ষায় অগ্রগামী নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) অনলাইন সমন্বয় ও মানবিক সহায়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মালেক উকিল হলে দূর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী বখতিয়ার হাসিনের চিকিৎসার জন্য আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হল কর্তৃপক্ষ।
আব্দুল মালেক উকিল হলে ২২ আগস্ট, শনিবার সিড়ির নিচে জমে থাকা পানিতে পিছলে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন বখতিয়ার হাসিন। এতে তার পায়ের প্যাটেলা (হাঁটুর হাড়) ভেঙে যায়। পরে তাকে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা দ্রুত অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী এবং মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ কাইয়ুম আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার বিষয়ে প্রতিনিয়ত খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করেন।
চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহে প্রযুক্তি ভিত্তিক অনলাইন ক্রাউড ফান্ডিং ও বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা, নিজ বিভাগ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং অনলাইন ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে ২১ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, নোবিপ্রবির সাবেক সমন্বয়ক জাহিদুল ইসলাম হাছানসহ সংশ্লিষ্টরা তাকে হাসপাতালে নেওয়া-আনার ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা করেন। ২৪ আগস্ট, সোমবার রাতে নওগাঁয় বখতিয়ার হাসিনের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী গণমাধ্যমকে জানান, বখতিয়ারকে প্রথমে নোয়াখালী সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে তাকে নওগাঁয় নেওয়া হয়, সেখানে পঙ্গু হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে এবং পরিবারটির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দ্রুত চিকিৎসাসেবা ও সমন্বয়ের কারণে শিক্ষার্থী এখন সুস্থতার পথে।
//ডিবিটেক/ সামিয়া হোসেন মুনিয়া/ইএমএস//





