শীতের সবজি উঠতে শুরু করলেও বাজারে দীর্ঘশ্বাস ক্রেতাদের
ঢাকা: বাজারে নতুন শীতের সবজি উঠতে শুরু করেছে। শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলার আগমন বার্তা দিচ্ছে শীতের। তবে মৌসুমি এই সবজির দেখা মিললেও সাধারণ ক্রেতাদের মুখে স্বস্তির হাসি নেই। বরং বাজারে গিয়ে উচ্চমূল্যের কারণে বরাবরের মতোই দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। ৬০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে সবজির দাম। সেইসঙ্গে মাছ মাংসের দামও […] The post শীতের সবজি উঠতে শুরু করলেও বাজারে দীর্ঘশ্বাস ক্রেতাদের first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.

ঢাকা: বাজারে নতুন শীতের সবজি উঠতে শুরু করেছে। শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলার আগমন বার্তা দিচ্ছে শীতের। তবে মৌসুমি এই সবজির দেখা মিললেও সাধারণ ক্রেতাদের মুখে স্বস্তির হাসি নেই। বরং বাজারে গিয়ে উচ্চমূল্যের কারণে বরাবরের মতোই দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। ৬০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে সবজির দাম। সেইসঙ্গে মাছ মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর, মহাখালী, মিরপুর ও যাত্রাবাড়ীসহ কয়েকটি কাঁচাবাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজির বাজারে দেখা যায়, নতুন সবজির সমাগম থাকলেও দাম এখনো বেশ চড়া। বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায়, ছোট আকারের এক একটি ফুলকপি ও বাঁধাকপি কিনতে গুণতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। মুলা ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। তবে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে, এটার কেজি ৩০ টাকা।
খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, আড়ত ও পাইকারি বাজারে সরবরাহ এখনো চাহিদার তুলনায় কম। পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় খেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চাষিরা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে সবজি পাঠাতে পারছেন না। ফলে পাইকারিতে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে।
এদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে শীতকালীন সবজির মূল চালান বাজারে পৌঁছাবে। সরবরাহ স্বাভাবিক ও পর্যাপ্ত হলে সবজির দামও দ্রুত কমে আসবে।
মাংসের বাজারে দেখা যায়, মুরগি বাজারেও দামে তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের চেয়ে ১০ টাকা ডজনে কমেছে। প্রতি ডজন ১৪০ টাকা ও চারটি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম আগের মতোই ৮০০ টাকা কেজি এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।
The post শীতের সবজি উঠতে শুরু করলেও বাজারে দীর্ঘশ্বাস ক্রেতাদের first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.





