বিশ্ব গবেষণায় চুয়েটের ছয় শিক্ষক

চুয়েটের ছয় শিক্ষক শীর্ষ ২% গবেষকে

  • চুয়েটের ছয় শিক্ষক বৈশ্বিক শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন
  • পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, বায়োমেডিক্যাল ও যন্ত্রকৌশল বিভাগে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে
  • গবেষণার প্রভাব, সাইটেশন ও সি-স্কোরে মূল্যায়িত হয়েছে গবেষকদের অবস্থান

চুয়েটের ছয় শিক্ষক শীর্ষ ২% গবেষকে
৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৫৯  

গবেষণার মান, বৈজ্ঞানিক প্রভাব ও আন্তর্জাতিক সাইটেশনের সূচকে বিশ্ব গবেষণার শীর্ষ সারিতে উঠে এসেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয় শিক্ষক। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের যৌথ প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় এবার চুয়েটের ছয় শিক্ষক স্থান পেয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও যন্ত্রকৌশল গবেষণার আন্তর্জাতিক প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।

গত বছর চুয়েটের চার শিক্ষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। এবার নতুন করে আরও দুই অধ্যাপক তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। তালিকাভুক্ত ছয় শিক্ষকের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন শিক্ষক রয়েছেন।

তালিকায় চুয়েটের শিক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী। ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে তাঁর অবস্থান ১ হাজার ৪১৮তম। তাঁর মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি।

একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিনের মোট গবেষণাপত্র ৮৭টি। ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী তাঁর অবস্থান ৪ হাজার ৫৪১তম।

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. মুক্তার হোসাইনের মোট গবেষণাপত্র ৮১টি। একই উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী তাঁর অবস্থান ৫ হাজার ১১৯তম।

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৩৪টি।

বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুমিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৯৪১তম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২০টি।

এ ছাড়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল ভুইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৪৪টি।

স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের এই তালিকা তৈরিতে শুধু গবেষণাপত্রের সংখ্যা বিবেচনা করা হয় না। গবেষণার প্রভাব, সাইটেশনসহ বিভিন্ন সূচকও গবেষকদের মূল্যায়নে গুরুত্ব পায়। স্কোপাস ডেটাবেজে থাকা বিশ্বের কোটি কোটি গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে তালিকাটি তৈরি করা হয়।

সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে থাকা অথবা নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রের গবেষকদের মধ্যে শীর্ষ ২ শতাংশে থাকলে একজন গবেষক এই তালিকায় স্থান পান। এ মূল্যায়ন কাঠামোয় বিজ্ঞানজগতকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করা হয়েছে।

//ডিবিটেক/সিএইচজি/এসএমপি/এমএসআই//