ক্যাশলেস লেনদেনে গতি আনতে উদ্যোগ
বাংলা কিউআরে কেনাকাটা করলেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান
- বাংলা কিউআরে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সরাসরি কেনাকাটা
- ৪০ লাখ প্রতিষ্ঠানে চালু, দৈনিক লেনদেন ১৪৩ কোটি
- এক বছরে দেশজুড়ে ক্যাশলেস অর্থনীতি প্রসারের লক্ষ্য
দেশে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আধুনিক ক্যাশলেস অর্থনৈতিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে সর্বজনীন পেমেন্ট প্রযুক্তি ‘বাংলা কিউআর’-এর ব্যবহার ত্বরান্বিত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বজনীন এই ডিজিটাল লেনদেন মাধ্যমটির প্রচলন তৃণমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে মাঠপর্যায়ে সরাসরি সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৫ অক্টোবর, সোমবার সকালে রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে বাংলা কিউআর প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি কেনাকাটা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। এ সময় তিনি স্থানীয় বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পণ্য কেনাবেচার লেনদেনে তাদের উৎসাহিত করেন।
মতিঝিলে প্রচারণাকালে গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, ডিজিটাল লেনদেনকে জনপ্রিয় ও টেকসই করতে কেবল কারিগরি পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখাই যথেষ্ট নয়; বরং সাধারণ গ্রাহক ও তৃণমূলের ব্যবসায়ীদের মধ্যে এর সুফল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি অত্যন্ত জরুরি।
মাঠপর্যায়ে প্রচার কার্যক্রম আরও জোরদার করার কথা জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এভাবে নগদ টাকার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দ্রুত কমিয়ে ডিজিটাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী এক বছরের মধ্যে সারাদেশে ক্যাশলেস লেনদেনের পরিধি ব্যাপক রূপ নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, ইন্টারঅপারেবল বাংলা কিউআর সেবা বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় রয়েছে। বিগত তিন মাসে এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণে উন্নীত হয়েছে।
বর্তমানে বাংলা কিউআর নেটওয়ার্কে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৪৩ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে, যা রিটেইল পেমেন্ট ডিজিটাইজেশনে ইতিবাচক গতির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।
//ডিবিটেক/ইএনএস/বিপিসি/এমএনও//





