সোনালী ব্যাংক ঘেরাও করলেন কর্মচারীরা; উপাচার্যের অনুমোদনহীন বিলকে 'বেআইনি' আখ্যা

১,০৮৭ জন শিক্ষক-কর্মকর্তার বেতন স্থগিত করলেন নতুন ভিসি

  • আন্দোলনের মুখে চুয়েটের ৩৬৭ শিক্ষক, ২০৮ কর্মকর্তা ও ৫১২ কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও বোনাস স্থগিত করেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। 
  • কর্মচারীদের বেতন ছাড় করা হলেও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেতন আটকে রাখায় ৭ অক্টোবর বুধবার সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখা ঘেরাও করেন বিক্ষুব্ধ কর্মচারীরা।
  • চুয়েট আইন ২০০৩ অনুযায়ী ভিকির অনুমোদন ছাড়া বিল পাঠানো অবৈধ দাবি উপাচার্যের; তবে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন বলছে এটি নিয়মবহির্ভূত পদক্ষেপ।

১,০৮৭ জন শিক্ষক-কর্মকর্তার বেতন স্থগিত করলেন নতুন ভিসি
৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০৫  

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সাবেক উপাচার্যের পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই ১ হাজার ৮৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা স্থগিত করেছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখা ব্যবস্থাপককে চিঠি দিয়ে এই বেতন-ভাতা পরিশোধ না করার কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।

উপাচার্যের নির্দেশনায় বলা হয়, চুয়েট আইন ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) অনুযায়ী উপাচার্যের পূর্বানুমোদন ছাড়া আর্থিক লেনদেন আইনিভাবে বেআইনি। পরবর্তীতে কর্মচারীদের বেতন ছাড় করা হলেও শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বেতন ছাড় না করায় বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন কর্মচারীরা। ব্যাংক কর্মকর্তাদের মুক্ত করতে ও সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে বেলা পৌনে ১টার দিকে পরবর্তীতে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

তবে এই সিদ্ধান্তের চরম প্রতিবাদ জানিয়েছেন চুয়েট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম। তিনি জানান, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী হিসাব নিয়ন্ত্রক ও উপ-হিসাব নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষরেই বেতন ছাড় হয়, যা ইতোমধ্যেই জমা দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের দমন করতেই উপাচার্য নিয়মবহির্ভূতভাবে বেতন আটকে দিয়েছেন।

এতে করে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন শিক্ষক-কর্মকর্তারা। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ টানা শাটডাউনের কবলে রয়েছে। 

//ডিবিটেক/সিআইএইচ/এসএমপি/বিপিও//