প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে ডিজিটাল উদ্যোগ

ইউএফটিবিতে ডি-নথি ব্যবহার ও কর্মদক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

  •  উএফটিবিতে ডি-নথি ব্যবহারের ওপর ৩য় ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
  •  ডিজিটাল ফাইল ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ
  •  প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে কাগজবিহীন দাপ্তরিক পদ্ধতির ওপর জোর

ইউএফটিবিতে ডি-নথি ব্যবহার ও কর্মদক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ
৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:১৫  

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পেপারলেস ফাইল ট্র্যাকিং ও ক্লাউড ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করেছে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমে ডিজিটাল নথি (ডি-নথি) সিস্টেমের প্রয়োগ বাড়ানো, প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় আধুনিকায়ন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্যপ্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী ‘ডি-নথি ব্যবহার বৃদ্ধি ও কর্মদক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণের ৩য় ব্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ১২০১ নম্বর কক্ষে এই বিশেষ কারিগরি প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে এটি ছিল ডি-নথি বিষয়ে পরিচালিত ধারাবাহিক উদ্যোগের তৃতীয় পর্যায়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএফটিবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোস্তার আলী। প্রশিক্ষক হিসেবে সম্পূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লার্নিং ম্যানেজার মো. টি. এ. এম. তুষার। আইকিউএসি পরিচালক সুমন সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খানসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

দিনব্যাপী এই সেশনে ক্লাউডভিত্তিক ডি-নথি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত ফাইল অনুমোদন, ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রয়োগ, আন্তঃবিভাগীয় নথি প্রেরণ ও নিষ্পত্তি, এনক্রিপ্টেড আর্কাইভ সংরক্ষণ এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে আধুনিক সাইবার সরঞ্জামের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে বিশদ ধারণা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোস্তার আলী জানান, ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির যুগে আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে কেবল শ্রেণিকক্ষ বা গবেষণাগারে প্রযুক্তি সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; প্রশাসনিক সব কার্যক্রমেও এর শতভাগ প্রতিফলন ঘটাতে হবে। ডি-নথির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজের গতি যেমন বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, তেমনি অপচয় রোধ, প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

তিনি প্রশিক্ষণে অর্জিত কারিগরি জ্ঞান অবিলম্বে নিজ নিজ দপ্তরের কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করে সমগ্র ক্যাম্পাসকে একটি স্বয়ংক্রিয় স্মার্ট ইকোসিস্টেমে রূপান্তরের আহ্বান জানান।

//ডিবিটেক/এসএইচআইবি/বিপিও/এমআইএসটি//