প্রবাসী বাংলাদেশী ও স্থানীয় বাড়িওয়ালাদের জন্য নিবাশ প্লাসের ডিজিটাল সমাধান
বাংলাদেশে প্রপটেকের উদ্ভাবন: প্রপার্টি ম্যানেজমেন্টে নতুন দিগন্ত
- বিশ্বব্যাপী প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও বাংলাদেশে এখনও প্রথাগত উপায়ে তদারকি চলছে
- ৮.৭ মিলিয়ন প্রবাসী বাংলাদেশীদের (এনআরবি) দূর থেকে সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণে স্বচ্ছতা আনবে প্রপটেক প্ল্যাটফর্ম
- ফিনল্যান্ডের রেড অ্যান্ড গ্রিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিবাশ প্রপটেকের যৌথ উদ্যোগে 'নিবাশ প্লাস' সেবা চালু হচ্ছে
বাংলাদেশে প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট সাধারণত বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া, কেয়ারটেকার, ব্রোকার এবং ফোনের মাধ্যমে ভাড়া আদায়ের প্রথাগত কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে এই খাতটি দ্রুত ডিজিটালাইজড হচ্ছে। গ্র্যান্ড ভিউ রিসার্চের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট সেবার বাজার মূল্য ছিল আনুমানিক ৬৬০.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০৩৩ সালের মধ্যে ১.১২৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে এই প্রযুক্তির রূপান্তর বিশেষত প্রবাসী বাংলাদেশীদের (এনআরবি) জন্য অত্যন্ত অর্থবহ হতে পারে।
ইউএন ডেসার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮.৭ মিলিয়ন প্রবাসী বাংলাদেশী রয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ দেশে বাসা, জমি বা অ্যাপার্টমেন্টের মালিক। সুদূর প্রবাসে বসে দেশে থাকা সম্পত্তি তদারকি করা বা মেরামত কাজ তদারকি করা বেশ জটিল ও অস্পষ্ট। প্রপটেক (PropTech) বা প্রপার্টি টেকনোলজি একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভাড়া আদায়, রক্ষণাবেক্ষণ, চুক্তিপত্র ও আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারে।
এই উদীয়মান বাজারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ফিনল্যান্ডভিত্তিক ‘রেড অ্যান্ড গ্রিন ইন্টারন্যাশনাল ওয়ে’ এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘নিবাশ প্রপটেক এলএলসি’ যৌথভাবে বাংলাদেশে ‘নিবাশ প্লাস’ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। নিবাশ প্রপটেক লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মতে, দূর থেকে সম্পত্তি পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও সহজ রূপান্তর আনাই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য। শুধু প্রবাসী নয়, স্থানীয় বাড়িওয়ালা ও বাণিজ্যিক প্রপার্টি মালিকদের জন্যও এটি এক নতুন প্রযুক্তিনির্ভর সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করবে।
//ডিবিটেক/এজেডসি//এসএমপ/বিপিসি//





