ই-ভ্যাট পোর্টালে দাখিলের নির্দেশ এনবিআরের
১১ খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক
- ব্যাংক-এমএফএস-ওষুধসহ ১১ খাতে অনলাইন ভ্যাট বাধ্যতামূলক
- মূল্য সংযোজন কর আইনের অধীনে এনবিআরের প্রজ্ঞাপন
- সম্পর্কিত অন্য ব্যবসা থাকলেও অনলাইন নিয়ম প্রযোজ্য
কর প্রশাসন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রাজস্ব আহরণে স্বয়ংক্রিয় ডেটা ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল রিটার্ন সাবমিশন নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ব্যাংকিং, বিমা, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), ওষুধ, পানীয় ও সিগারেটসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ১১টি শিল্প ও সেবা খাতের জন্য অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে সংস্থাটি। এর ফলে সনাতন পদ্ধতির বদলে এখন থেকে সুনির্দিষ্ট এসব খাতকে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি ‘ই-ভ্যাট পোর্টাল’ ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ সোমবার এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই আদেশ জারির বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নিশ্চিত করেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (মূসক নীতি) আজিজুর রহমানের সই করা এক আনুষ্ঠানিক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।
অনলাইনে ভ্যাট দাখিল বাধ্যতামূলক হওয়া ১১টি খাত হলো—সিগারেট, মোবাইল ফোন, বিমা, ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস), এমএস পণ্য, ওষুধ, পানীয়, সিমেন্ট, টাইলস এবং রং ও বার্নিশ প্রস্তুতকারক বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান।
আদেশের শর্ত অনুযায়ী, কোনো নিবন্ধিত করদাতা প্রতিষ্ঠান যদি উল্লিখিত পণ্য উৎপাদন বা সেবা সরবরাহের পাশাপাশি অন্য কোনো সাবসিডিয়ারি কিংবা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাদের ক্ষেত্রেও সামগ্রিকভাবে অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়মটি সমভাবে প্রযোজ্য হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার ক্ষমতাবলে এনবিআর এ আদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে অনলাইনে দাখিলপত্র পেশ সংক্রান্ত অতীতে জারি করা পূর্ববর্তী সকল নির্দেশনা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে রাজস্ব বোর্ড নিজস্ব নীতিগত প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই তালিকায় নতুন খাত যুক্ত কিংবা বাদ দেওয়ার পূর্ণ এখতিয়ার সংরক্ষণ করবে।
//ডিবিটেক/ইআরডি/এসএমই/ডিপিও//





