বিইআরসি ও বিতরণ সংস্থাগুলোর কাছে নেই কোনো আবেদন; বিভ্রান্তিতে ৫৫ লাখ গ্রাহক
প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের খবর ‘গুজব’
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সময়ে প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বা ভাড়া প্রত্যাহার করে নেওয়ার যে তথ্য সরকারি দল বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে প্রচার করা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ একটি ‘অপপ্রচার’ বিদ্যুৎ বিলের সাথে প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বা ভাড়া প্রত্যাহার করে নেওয়ার খবরটি একটি অপপ্রচার বলে জানা গেছে রাজধানীর প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকদের কাছ থেকে ৪ জুলাই বিকালেও মিটার রিচার্জের কাগজ যাচাই করে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে ঢাকার বাইরেও গ্রাহকদের ভোগান্তি ও ক্ষোভ:
রাজধানীর পাশাপাশি ঢাকার বাইরে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছ থেকেও প্রিপেইড মিটার নিয়ে নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। নেসকো, ওজোপাডিকো এবং আরইবি (পল্লী বিদ্যুৎ)-এর আওতাধীন গ্রাহকদের অভিযোগ, রিচার্জ করার পর মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ কাটার ফলে মূল ব্যালেন্স থেকে বড় একটি অংশ কেটে নেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সামান্য অবহেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, কার্ড রিচার্জের ক্ষেত্রে সার্ভার জটিলতা এবং ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নেওয়ার পর দ্বিগুণ টাকা কাটার মতো বিষয়গুলো নিয়ে মফস্বল ও গ্রামীণ গ্রাহকদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। সরকারি দলের এই প্রচারণার পর অনেকে ভেবেছিলেন এবার হয়তো স্বস্তি মিলবে, কিন্তু বাস্তবে আগের মতোই টাকা কাটতে থাকায় গ্রাহকদের বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর মিটার ভাড়া প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছিল এবং সেই প্রতিশ্রুতিকে ঘিরেই এই অপপ্রচারের সূত্র তৈরি হয় বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তারা জানান, প্রিপেইড মিটারের প্রকল্পগুলো ঋণের অর্থে বাস্তবায়িত হয়েছে, যা এই মিটার ভাড়া থেকেই পরিশোধ করা হয় //ডিবিটেক/এসআই/এমআই//





