কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে জিপির সাবেক কর্মীদের জরুরি সংবাদ সম্মেলন বিকেলে

রাজধানীর বসুন্ধরাস্থ গ্রামীণফোন (জিপি) হাউসের সামনে পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ গণঅবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা ও আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’

কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে জিপির সাবেক কর্মীদের জরুরি সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
৩০ জুন, ২০২৬ ১৩:১৭  

বকেয়া ও ৫ শতাংশ বিলম্ব জরিমানা পরিশোধের দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ৩০ জুন, মঙ্গলবার সকাল ১০:০০টায় গ্রামীণফোন হাউসের সামনে পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ গণঅবস্থান কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই সকাল আনুমানিক ৯:৩০টায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করে এবং কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করে।

শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আজ বিকেল ৩:৩০টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে।

এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর আহ্বায়ক আবু সাদাত মোঃ শোয়েব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে মূলত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা এবং আন্দোলনকারীদের অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সংগঠনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত আন্দোলনকারী সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, গ্রামীণফোনের কাছে ৫% বিলম্ব বকেয়াসহ দীর্ঘদিনের ন্যায্য পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের প্রতি পুনরায় জরুরি তাগিদ এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে দেশব্যাপী পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ১৬ বছরের বকেয়া পাওনা এবং ৫ শতাংশ বিলম্ব জরিমানার ন্যায্য দাবি আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন এই সাবেক কর্মীরা। এর আগে গতকাল পরিষদের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, কর্তৃপক্ষ দাবি পূরণে অপারগ হলে কর্মীরাই গ্রামীণফোনের প্রকৃত মালিকানা দাবি করবেন। আজকের পুলিশি অ্যাকশন ও বাধা দেওয়ার ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে আন্দোলন আরও বৃহত্তর রূপ নিতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

//ডিবিটেক/এজেড/ইকে//