টেলিকম পণ্য ও সেবাকে সামাজিক পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তির দাবি

টেলিকম পণ্য ও সেবাকে  সামাজিক পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তির দাবি
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩০  
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪২  

দেশের টেলিকম খাতকে ভোগ্যপণ্য থেকে সামাজিক পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তির দাবি জানিয়েছেন প্রযুক্তিবিদ ফাহিম মাশরুর। ১৪ জানুয়ারি, বুধবার ভয়েস ফর রিফর্ম ও টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি পলিসি অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম (টিপাপ) এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আইসিটি ও টেলিকম খাতের সংস্কারনামা গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে এই দাবি জানান তিনি। ডেটা ও স্মার্টফোনের ওপর মাত্রাতিরিক্ত করকাঠামোকে এই শিল্পের বিকাশের পেছনে মূল কারণ বলে মনে করেন নাগরিক সমাজের এই প্রতিনিধি। 

ফাহিম মাশরুর বলেন, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে আমাদের সিভিল সোসাইটির ৯০ শতাংশ কনসার্ন আমলে নেয়া হয়েছে। তবে আমাদের আরেকটা দাবি ছিলো ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিয়ে। তথ্যের মালিকানা নিয়ে। গত মাসে পাস হওয়া বিডিপিও-তে সেটা যুক্ত করা হয়েছে। এরপর আমরা সাইবার ক্রাইম তথা অনলাইন জুয়া- যা আমাদের প্রজন্মকে নষ্ট করে দিচ্ছে সে বিষয়ে আওয়াজ তুলেছিলাম। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনেক চ্যালেঞ্জ সত্বেও এনইআইআর বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সেক্ষেত্রেও কিছু কথা আছে। তবে এই ডিজিটাল ডিভাইস কে, কোথা থেকে, কী কাজে ব্যবহার করছে তার ট্রেসেবিলিটি না থাকলে সােইবারক্রইম ও অণলাইন গ্যামব্লিং নিয়ন্ত্রণ খুবই কঠিন হয়ে পড়বে। কেননা, এখন ভুয়া সিম দিয়ে ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট তৈরি হচ্ছে। এনইআইআর সেটি একটি সিস্টেমে নিয়ে আসবে। 

এসব বিষয়ে স্বস্তি প্রকাশের পর তিনি আরও বলেন, প্রতি ১০০ টাকার টক টাইমে ৫৫ টাকার মতো সরকারের পকেটে। এখনও ডাটার ওপর সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ। অর্থাৎ সরকারের পক্ষে থেকেই আমাদের ইন্টারনেট বা টেলিকমিউনেকশনকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এটা যে আসলে একটা সোশ্যাল গুডস সেটা স্ট্যাবলিশ করতে পারিনি। একইভাবে স্মার্টফোনের ইমপোর্ট নিয়ে গত কয়েক মাসে যে ঘটনা ঘটছে সেখানে এখনো ১৫ শতাংশ সাবলিমেন্টারি ডিউটি, ৪০ শতাংশ ৪০% ট্যাক্স ইন্সিডেন্স রয়েছে। এটা এখনও অনেক।

ডিবিটেক/এমইউ/ ইকে