প্রণোদনা পাবেন আলু চাষিরা: কৃষি উপদেষ্টা
চলতি মৌসুমে আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ মৌসুমে সবজির উৎপাদনও খুবই ভালো। বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো, দামও সহনীয় পর্যায়ে আছে। এবার আলু চাষিরা বড় ধরনের লোকসানে আছেন, এবার তারা ভালো দাম পাননি। সে কারণে আলু চাষিদের প্রণোদনা দেওয়ার একটা ব্যবস্থা করা হবে।
১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন কৃষি উপদেষ্টা।
বাজারে আমনের চাষ ভালো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এবার আমনের চাষ ও ফলন ভালো হয়েছে। আমরা একটি দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। আমনের প্রতি কেজি চৌত্রিশ টাকা, আতপ চাল ঊনপঞ্চাশ টাকা ও সেদ্ধ চাল পঞ্চাশ টাকা কেজি।
তবে আশার কথা পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি, আমদানি করতেও হবে না। গ্রীষ্মকালীন মুড়িকাটা পেঁয়াজও কিছু দিনের মধ্যে বাজারে চলে আসবে। বাজারে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতিও হবে না। কিছু কিছু অসাধু গোষ্ঠী এই পণ্যটির দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তারা সফল হবে না।
এর আগে রাজধানীর গাবতলীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) বিভিন্ন গবেষণা ও প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা বলেছিলেন, 'টিস্যু কালচার কেন্দ্রে আলু, আনারস, খেজুর ও বিভিন্ন ফুলের টিস্যু কালচার করা হচ্ছে। আমরা খেজুর রপ্তানি করে আনি। স্থানীয়ভাবে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত চারা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। নেদারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চড়া দামে আলু বীজ আমদানি করতে হয়। কিন্তু দেশে উন্নত জাতের আলু বীজ উৎপাদন করা গেলে কৃষির জন্য তা অত্যন্ত উপকারী হবে।'
ডিবিটেক/জেএন/ইক





