এআই অবকাঠামোতে ৫০০ বিলিয়ন ডলার তহবিলের লক্ষ্যে এনভিডিয়া
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অভূতপূর্ব প্রসারের ফলে বিশ্বজুড়ে কম্পিউটিং ক্ষমতা ও ডেটা সেন্টারের অভাব মেটাতে বিশাল আর্থিক পদক্ষেপ নিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট এনভিডিয়া। বিশ্বের ছয়টি বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূলধনের এক বিশেষ ফাইন্যান্সিং বা অর্থায়ন প্ল্যাটফর্ম চালুর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ছয়টি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান- অ্যাপোলো, ব্ল্যাকরক, ব্ল্যাকস্টোন, ব্রুকফিল্ড, গোল্ডম্যান স্যাকস এবং কেকেআরের সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে এনভিডিয়া।
নতুন এই কাঠামোর অধীনে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এনভিডিয়ার অবকাঠামো ক্রয়ের জন্য ডেডিকেটেড ক্যাপিটাল পুল গঠন করবে। ফলে বিভিন্ন ফ্রন্টিয়ার এআই ল্যাব, এন্টারপ্রাইজ, সরকারি সংস্থা এবং ক্লাউড সেবাদাতারা অপেক্ষাকৃত কম সুদে ও সহনীয় শর্তে প্রয়োজনীয় এনভিডিয়া চিপ ও অবকাঠামো অর্থায়ন করতে পারবে।
এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং জানিয়েছেন, এই বিশাল উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে এনভিডিয়া নিজেই ২৫ শতাংশ পর্যন্ত চুক্তি, যা অর্থমূল্যে প্রায় ১২৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত দায় বা ব্যাকস্টপ নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
এনভিডিয়া প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের মতে, চিপস ও জিপিইউ প্রযুক্তি এখন সাধারণ সেমিকন্ডাক্টরের গণ্ডি পেরিয়ে দীর্ঘমেয়াদী এবং আয়-উৎপাদনকারী বিশেষ সম্পদে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের মতোই এআই কম্পিউটিং এখন একটি মৌলিক অবকাঠামো। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নতুন শ্রেণির ‘এআই ফ্যাক্টরি’ গড়ে তোলার কাজ আরও গতিশীল হবে, যা ভবিষ্যৎ শিল্পের চাহিদা পূরণ করবে।
চলতি বছরে বিশ্বব্যাপী প্রধান প্রধান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর এআই খাতের বাজেট ৭৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিশাল মূলধনী চাহিদার কারণে সরকারি ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের বাইরে প্রাইভেট ইকুইটি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ টেনে আনার এই পথ বিশ্ব চিপ বাজারের গতিপথ স্থায়ীভাবে বদলে দিতে পারে। সমঝোতা হলেও চুক্তিগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে মূলধন ছাড়ের কাজ ধাপে ধাপে শুরু হবে।
ডিবিটেক/বিএমটি । সূত্র: রয়টার্স





