এ বছর মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে

দুর্যোগের মাঝেই ঘরে বসে মিলছে বৃত্তির ফল, পরীক্ষার বিষয়ে পর্যবেক্ষণ চলছে

  • ট্যালেন্টপুলে ৩২,৯৬৫ এবং সাধারণ কোটায় ৪৬,২৮১ জন উত্তীর্ণ
  • ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস ও আইপিইএমআইএস ওয়েবসাইটে মিলছে ফলাফল
  • বৃষ্টি-বন্যা পরিস্থিতিতে ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে

দুর্যোগের মাঝেই ঘরে বসে মিলছে বৃত্তির ফল, পরীক্ষার বিষয়ে পর্যবেক্ষণ চলছে
১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:০৫  

দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেই ডিজিটাল মাধ্যমে ঘরে বসেই মিলছে গত বছরের (২০২৫ সালের) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল। আজ রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত ফল পেতে শিক্ষার্থীরা যেকোনো মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানতে পারবে (যেমন: DPE 123456)। এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিস্তারিত মার্কশিটসহ ফলাফল দেখতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইপিইএমআইএস (https://ipemis.dpe.gov.bd/) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশন নির্বাচন করে রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে 'সাবমিট' করলেই ফল দেখা যাবে। এবার মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে, যার মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৬ Scolarship পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন। দেশের পার্বত্য তিন জেলা বাদে বাকি জেলাগুলোতে গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল এবং পার্বত্য অঞ্চলে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এদিকে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ঢাকা বোর্ডের চলমান এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবির বিষয়টি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, "আজকে আমরা গভীর পর্যবেক্ষণে আছি এবং কিছুক্ষণের মধ্যে আবারো বসবো। চেষ্টা করব কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।"

মন্ত্রী আরও জানান, ঢাকার ভারী বর্ষণ ও সর্বশেষ আবহাওয়ার রিপোর্টের জন্য তাঁরা অপেক্ষা করছেন। ইতিমধ্যে ৬৪ জেলার ডিসি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ রেখে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী শিডিউল নিয়মিত আপডেট করা হবে এবং কোথাও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে তা স্থগিত করা হবে। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।

//ডিবিটেক/ সিসিএন/ এসএ//