ডব্যান্ডের ধীর উত্থানের বিপরীতে মোবাইল ইন্টারনেটে উত্থান-পতনের খেলা, শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে গ্রামীণফোন
রেকর্ড মোবাইল গ্রাহকে ইন্টারনেট ব্যবহারে বড় ছন্দপতন: ৪ বছরে বৈচিত্র্যময় বিবর্তন
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে মোট মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা রেকর্ড ১৮ কোটি ৮৬ লাখ ছাড়িয়েছে গত দুই বছরে বাংলাদেশের টেলিকম খাতে গ্রাহক সংখ্যায় একটি মিশ্র প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। ২০২৪ সালের মে মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের মে মাসে মোট মোবাইল সিম গ্রাহক এবং মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যায় কিছুটা পতন ঘটলেও ব্রডব্যান্ড (আইএসপি) ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে একটি ধারাবাহিক ও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। বাংলাদেশের টেলিকম ও ডিজিটাল খাতের গত চার বছরের এই বিবর্তনের চিত্রটি বেশ চমৎকার ও বৈচিত্র্যময়।
বিটিআরসির সর্বশেষ মে ২০২৬ সালের উপাত্ত অনুযায়ী, দেশে বর্তমান মোবাইল সিম গ্রাহকের সংখ্যা ১৮ কোটি ৮৬ লাখ মোবাইল গ্রাহক বাজারের বর্তমান অবস্থা ও পরিবর্তন
বিটিআরসি (BTRC)-এর সর্বশেষ মে ২০২৬-এর উপাত্ত অনুযায়ী, দেশের মোট মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮.৮৬ কোটিতে (১৮৮.৬০ মিলিয়ন)। দুই বছর আগে, অর্থাৎ মে ২০২৪-এ এই সংখ্যা ছিল ১৯.৫১ কোটি (১৯৫.০৯ মিলিয়ন)। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬৫ লাখ কমেছে।
গ্রামীণফোন: ৮.৪৯ কোটি (মে ২০২৪) ৮.৫৯ কোটি (মে ২০২৬) — ১০ লাখ গ্রাহক বৃদ্ধি
রবি আজিয়াটা: ৫.৮৯ কোটি (মে ২০২৪) ৫.৮২ কোটি (মে ২০২৬) — ৭ লাখ গ্রাহক হ্রাস
বাংলালিংক: ৪.৪৭ কোটি (মে ২০২৪) ৩.৭৭ কোটি (মে ২০২৬) — ৭০ লাখ গ্রাহক হ্রাস
টেলিটক: ০.৬৬ কোটি (মে ২০২৪) ০.৬৮ কোটি (মে ২০২৬) — ২ লাখ গ্রাহক বৃদ্ধি
অপারেটরভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের শীর্ষ অপারেটর গ্রামীণফোন ৮ কোটি ৫৯ লাখ গ্রাহক নিয়ে বাজারে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে সবচেয়ে বড় চমক ও অস্থিরতা দেখা গেছে ইন্টারনেট গ্রাহকের পরিসংখ্যানে। মে ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ১৩ কোটি৪০ লাখ ৭০ হাজার মোবাইল ইন্টারনেটে নেতিবাচক প্রবণতা থাকলেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ফিক্সড বা ব্রডব্যান্ড (আইএসপি ও পিএসটিএন) ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে। ২০২১ সালের আগস্টে ব্রডব্যান্ড গ্রাহক যেখানে ছিল মাত্র ১ কোটি ৫০ হাজার //ডিবিটেক/এএএম/আইএইচ//





