বিকাশ-রকেটে ঢাকা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ভাতা

বিকাশ-রকেটে  ঢাকা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ভাতা
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৬  

সরকারি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে ঢাকা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষিত যুবদের মাঝে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) পদ্ধতিতে যাতায়াত ভাতা বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ৩০ মার্চ, সোমবার বিকেলে জেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থার শুভ সূচনা হয়।

অনুষ্ঠানে  স্বাগত বক্তব্য দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঢাকা জেলার উপপরিচালক এ কে এম শাহরিয়ার রেজা। প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান। ডিজিটাল এই উদ্যোগের ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা এখন থেকে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি তাদের মোবাইল ফোনে ভাতার টাকা বুঝে পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রকেটের প্রধান আহমেদ শামসুল হুদা এবং বিকাশ লিমিটেডের গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মেহমুদ আশিক ইকবাল। তারা তাদের বক্তব্যে ঢাকা জেলাসহ সারাদেশের সকল জেলায় এই ডিজিটাল ভাতা বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) প্রিয়সিন্ধু তালুকদার। তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এমএফএস পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি ও বিকাশ লিমিটেডের সহযোগিতা কামনা করে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানের হাতেকলমে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রতিফলন ঘটিয়ে ঢাকা জেলার তিন মাস মেয়াদী পোশাক তৈরি প্রশিক্ষণ কোর্সের ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে রকেটের মাধ্যমে ১,১৭,৯০০ টাকা বিতরণ করা হয়। এছাড়া ঢাকা জেলাধীন ক্যান্টনমেন্ট ইউনিট থানার সাত দিন মেয়াদী বিউটিফিকেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে বিকাশের মাধ্যমে ১৮,০০০ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়। মোবাইল ফোনে ভাতার টাকা জমা হওয়ার সাথে সাথে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ব্যাপক উল্লাস ও সন্তুষ্টি দেখা যায়। এই অনলাইন পদ্ধতির সূচনার ফলে এখন থেকে ঢাকা জেলায় প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতার জন্য আর দীর্ঘ অপেক্ষা বা সশরীরে উপস্থিত হওয়ার বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না, যা সরকারি সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ডিবিটেক/এমএমইএইচ/এমইউএম