রবি আজিয়াটার শিরোপা জয়ে শেষ হলো এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট
জমজমাট আয়োজন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ এবং উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হলো অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর দ্বিতীয় আসর। রাজধানীতে ১৪ মে, শুক্রবার অনুষ্ঠিত ফাইনালে টাইব্রেকারে রবি আজিয়াটা পিএলসি শিরোপা জিতে নেয়।
ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর ব্যানারে নাটমেগ আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে দেশের শীর্ষস্থানীয় ২০টি বহুজাতিক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। মোট ৫০টি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ম্যাচের মাধ্যমে এবারের আসর কর্পোরেট ফুটবলের অন্যতম বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে।
দিনের শুরুতে অনুষ্ঠিত প্লেট ফাইনালে মুখোমুখি হয় শেভরন বাংলাদেশ এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয়। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের হয়ে গোল করেন তুর্য এবং শেভরনের হয়ে গোল করেন আশিক। পরে সাডেন-ডেথ টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত করে প্লেট শিরোপা জিতে নেয় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন তুর্য।
এরপর বহুল প্রতীক্ষিত কাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয় রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং ডিএইচএল এক্সপ্রেস বাংলাদেশ। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই শক্ত রক্ষণভাগের নৈপুণ্য দেখায়। নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে শিরোপা নিশ্চিত করে রবি আজিয়াটা। ফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য রবির শাকিব ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে কয়েকজন খেলোয়াড় অসাধারণ পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কাড়েন। ডিএইচএল-এর শাহীনুর ১০ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতেন। একই দলের সৈকত ধারাবাহিক নৈপুণ্যের জন্য টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। অন্যদিকে রবির গোলরক্ষক মুসাব্বির সেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি পান।
অসাধারণ স্পোর্টসম্যানশিপ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পারফরম্যান্সের জন্য লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ অর্জন করে ফেয়ার প্লে ট্রফি।
ফাইনাল শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এম এইচ এম ফাইরোজ, টিআইএম নুরুল কবির, শাহেদ আলম, জুবায়েদ উল ইসলাম, সাব্বির ফেরদৌস, মাজহারুল কবির এবং মাহবুব আলম।
আয়োজকরা জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই টুর্নামেন্ট কর্পোরেট অঙ্গনে প্রাণবন্ত ক্রীড়া পরিবেশ তৈরি করেছে। ফুটবলের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্প্রীতি, টিমওয়ার্ক ও পেশাদার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের কর্পোরেট কমিউনিটিতে ফুটবল সংস্কৃতি বিকাশেও এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পনসর ছিল অ্যাক্সেনটেক। কো-স্পনসর হিসেবে ছিল সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড-বেকো। এছাড়া বেভারেজ পার্টনার ছিল স্প্রাইট মিন্ট, পিআর পার্টনার ব্যাকপেজ পিআর এবং এয়ারলাইন পার্টনার নভোএয়ার।
ডিবিটেক/এসএম/ইকে



