পাঠশালার সাথে যৌথ আয়োজনে ৫ ক্যাটাগরিতে মূল্যায়ন করলেন চার স্বনামধন্য আলোকচিত্রী
২৩ হাজার ছবির মধ্য থেকে বাছাই হলো ‘অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’-এর সেরা ফ্রেম
- বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উপলক্ষ্যে অপোর ‘এভরি ফটো টেলস এ স্টোরি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় জমা পড়ে ২৩ হাজারের বেশি ছবি
- পোর্ট্রেট, ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট ও আর্কিটেকচার, লো লাইট এবং হেরিটেজ—এই পাঁচ ক্যাটাগরিতে সেরা ছবি বাছাই
- নিখুঁত কারিগরি দিকের চেয়ে ছবির আবেগ, ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি এবং গল্প বলার সক্ষমতাকে প্রধান মানদণ্ড ধরেন বিচারকেরা
ঢাকা: তরুণদের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্মার্টফোনে গল্প বলার সক্ষমতাকে তুলে ধরতে আয়োজিত ‘অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’-এ জমা পড়া ২৩ হাজারের বেশি ছবির মধ্য থেকে সেরা ফ্রেমগুলো বাছাই করেছেন দেশের চারজন স্বনামধন্য আলোকচিত্রী ও ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার। পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে যৌথ উদ্যোগে অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি নিবেদিত এ প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে তরুণ আলোকচিত্রীরা অংশগ্রহণ করেন।
১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অপো বাংলাদেশ।
মোবাইলফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে ‘এভরি ফটো টেলস এ স্টোরি’ প্রতিপাদ্যে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় মোট পাঁচটি পৃথক ক্যাটাগরিতে—পোর্ট্রেট, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার, লো লাইট এবং হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার। জমা পড়া বিপুলসংখ্যক ছবি মূল্যায়নে বিচারকমণ্ডলী কেবল কারিগরি নিখুঁততার ওপর নির্ভর না করে ছবির অন্তর্গত আবেগ, মৌলিকত্ব, অনন্য দৃষ্টিকোণ এবং দৃশ্যভাষার মাধ্যমে গল্প ফুটিয়ে তোলার দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
বি
চারক প্যানেলে ছিলেন পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান খন্দকার তানভীর মুরাদ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রবীণ ডকুমেন্টারি আলোকচিত্রী শফিকুল আলম কিরণ, পুরস্কারপ্রাপ্ত ফটোসাংবাদিক কে এম আসাদ এবং আলোকচিত্রী রাজোয়ানা চৌধুরী জিনিয়া।
মূল্যায়নের অভিজ্ঞতা জানিয়ে খন্দকার তানভীর মুরাদ বলেন, "ফটোগ্রাফি মানে সাধারণ মুহূর্তের মাঝে অসাধারণ কিছু আবিষ্কার করা, যা অপোর আধুনিক প্রযুক্তি সহজ করে দিয়েছে।" ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার শফিকুল আলম কিরণ মন্তব্য করেন, সবচেয়ে প্রভাবশালী ফ্রেম সেটাই, যা দর্শকের মনে গভীর কোনো মানবিক বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। অপরদিকে, বিপুল প্রতিযোগীর মানসম্মত ফ্রেম থেকে সেরা ছবি বেছে নেওয়াকে অন্যতম কঠিন কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন কে এম আসাদ।
বিচারকদের মতে, কোনো নিখুঁত ফর্মুলা দিয়ে ছবির শ্রেষ্ঠত্ব বিচার করা যায় না; বরং যে ফ্রেমটি সাধারণ দর্শককে এক মুহূর্ত থামিয়ে ছবির ভেতরের গল্পের সাথে আত্মিকভাবে যুক্ত করতে পারে, সেখানেই এর সার্থকতা। ২৩ হাজার তরুণ আলোকচিত্রীর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাছাইকৃত এই সেরা ছবিগুলো স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির পরিধিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
//ডিবিটেক/এনওপি/এসএমই/এমআইএসটি//





