পুরোনো ফোন দিয়েই বাড়ান ওয়াই-ফাই কাভারেজ
ঘরের কোনো নির্দিষ্ট কোণে বা রুমে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হলে বা একেবারেই না পাওয়া গেলে (ডেড জোন) নতুন রাউটার, মেশ সিস্টেম কিংবা এক্সটেন্ডার কেনার প্রয়োজন নেই। ড্রয়ারে পড়ে থাকা পুরোনো এবং অব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি দিয়েই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। কোনো অতিরিক্ত অ্যাপ বা জটিল কারিগরি জ্ঞান ছাড়াই কেবল ফোনের ভেতরের সেটিংস এবং একটি পাওয়ার সকেটের সাহায্যে এটিকে ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার বা রিপিটার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
যেভাবে কাজ করে এই ব্যবস্থা
সাধারণত একটি বাণিজ্যিক ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার কিনতে প্রায় ৫০ ডলারের মতো খরচ হয়। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে এটি করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্ভব। ফোনটি আপনার মূল ওয়াই-ফাই রাউটারের সাথে সংযুক্ত থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করবে এবং সেটিকে নিজের তৈরি একটি পৃথক হটস্পট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চারপাশে ছড়িয়ে দেবে।
ফলে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট বা স্মার্ট টিভিগুলো মূল রাউটারের পরিবর্তে ওই ফোনের হটস্পটের সাথে যুক্ত হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। এটি মেশ নেটওয়ার্কের মতো পারফর্ম না করলেও দুর্বল সিগন্যালের এলাকায় দ্রুত সমাধান দেয়।
সহজ সেটআপ প্রক্রিয়া
১. প্রথমে পুরোনো ফোনটি সম্পূর্ণ চার্জ দিয়ে এবং দরকার হলে আপডেট করে আপনার ঘরের মূল ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত করুন।
২. ফোনের Settings > Hotspot and Tethering-এ গিয়ে Wi-Fi Hotspot অপশনটি চালু করুন।
৩. হটস্পটের নাম পরিবর্তন করে নিজের মতো একটি নাম এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করুন।
৪. ফোনটিতে সুবিধা থাকলে ৫ গিগাহার্টজ (5GHz) ব্যান্ড বেছে নিতে পারেন, যা কাছাকাছি থাকা ডিভাইসে ভালো গতি দেবে (দূরত্বের ক্ষেত্রে ২.৪ গিগাহার্টজ বেশি কার্যকর)।
৫. ফোনটিকে রাউটার এবং সিগন্যালহীন ‘ডেড জোনের’ ঠিক মাঝামাঝি একটি স্থানে রাখুন। সব সময় একটি পাওয়ার সকেটের সাথে প্লাগ-ইন করে রাখুন, কারণ টানা হটস্পট চললে ব্যাটারি দ্রুত ড্রেন হয়।
ডিবিটেক/বিএমটি





