প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধ, ঢাকায় ৮ জোন; মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ২ লাখ কর্মী

এক সপ্তাহে ই-রিকশার নীতিমালা ও মালয়েশিয়ায় জিরো কস্টে কর্মী

  • এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রক নীতিমালা চূড়ান্ত করছে সরকার
  • বুয়েট বা সরকারি পলিটেকনিকের নকশা ও ফিটনেস ছাড়া মিলবে না ই-রিকশার অনুমোদন; ঢাকায় চালু হচ্ছে ৮টি জোন।
  • সেপ্টেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়ায় যাবে ২ লাখ কর্মী, যার মধ্যে ১০ হাজার কর্মী যাবে সম্পূর্ণ 'জিরো কস্টে'

এক সপ্তাহে ই-রিকশার নীতিমালা ও মালয়েশিয়ায় জিরো কস্টে কর্মী
৩০ আগষ্ট, ২০২৬ ১০:৪১  

রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশার (ই-রিকশা) পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করতে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ছয় মাসের মধ্যে মালয়েশিয়ায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে ২ লাখ কর্মী পাঠানো এবং এর মধ্যে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বা ‘জিরো কস্টে’ পাঠানোর বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্মতি হয়েছে। ৩০ আগস্ট, ২০২৬ রবিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার সচিব মোঃ শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাটারিচালিত যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ ও আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ঢাকার কোনো প্রধান সড়কে (ভিআইপি বা মূল আর্টারিয়াল রোড) ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। এক সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নীতিমালা প্রকাশ করা হবে। বর্তমানে নিবন্ধন ফি, স্পিড লিমিট ও প্রযুক্তিগত বিধিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।"

তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কিংবা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃক নির্ধারিত টেকনিক্যাল নকশা ও ট্রাফিক সেফটি ফিটনেস ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো ই-রিকশার লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এছাড়া ঢাকায় ৮টি পৃথক জোন নির্ধারণ করা হচ্ছে; এক জোনের অনুমোদিত রিকশা অন্য জোনে প্রবেশ করতে পারবে না। ব্যাটারি চার্জিং ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে চার্জিং স্টেশনগুলোর লাইসেন্স প্রদান করবে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে শিগগিরই ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী মালয়েশিয়া। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ নাগাদ থেকে পর্যায়ক্রমে দুই লাখ জনশক্তি রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়ে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। এর বাইরে বিশেষ কোটায় বিমান ভাড়াসহ যাবতীয় অভিবাসন ব্যয়মুক্ত 'জিরো কস্টে' যাবে আরও ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী। বৈঠকে জনশক্তি রপ্তানির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে যৌথ অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
//ডিবিটেক/এইচএমসি/এমআএটি//