বাইক গতিরোধ করে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়ায় পুলিশ
অনলাইনে ভিডিও ছড়াতেই মাগুরায় পুলিশকে মারধরে তদন্ত
- মাগুরায় এক পুলিশ সদস্যকে গতিরোধ করে মারধর ও ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠেছে এক পরিবহন নেতার বিরুদ্ধে
- ঘটনাটি ধারণ করে অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করে
- সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ফুটের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে
অনলাইন মাধ্যম ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে সড়কে এক পুলিশ সদস্যকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মাগুরায় এক পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে মারধর ও মোবাইল প্রযুক্তির সাহায্যে ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি নাঈমুজ্জামান নয়নের বিরুদ্ধে। ২৮ আগস্ট, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
শারীরিক নির্যাতনের শিকার পুলিশ সদস্যের নাম মো. ইমরান হোসেন। তিনি মাগুরা জেলা পুলিশে কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন। ঘটনাটি চলাকালে ধারন করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
অনলাইনে প্রকাশ পাওয়া ওই ডিজিটাল ফুটেজে দেখা যায়, কমলা রঙের টিশার্ট পরা নাঈমুজ্জামান নয়ন কনস্টেবল ইমরান হোসেনের বাইক আটকে চাবি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ সময় তিনি উত্তেজিত অবস্থায় আরও লোকজন ডাকতে থাকেন এবং একপর্যায়ে নিজেই ফোনের ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ শুরু করে পুলিশ সদস্যকে মারধর করেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের বিপরীত পাশে মাইক্রোস্ট্যান্ডে কনস্টেবল মো. ইমরান হোসেনের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করা হয়। নাঈমুজ্জামান নয়নের সঙ্গে মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেনও হামলায় যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রকাশ্যে পুলিশ সদস্যকে হেনস্তা করার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে জেলা পুলিশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রযুক্তিগত তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সংশ্লিষ্ট সূত্রকে জানান, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাল ভিডিওটি তাদের নজরে এসেছে এবং পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
//ডিবিটেক/এসএমপি/ জেএনইউ/ এনএপি//





