এনএসডিএ-তে চীনা ভাষার কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড কর্মশালায় জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
ডিজিটাল কনটেন্ট ও ভাষায় গভীর হবে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী
- যৌথ চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র, বই ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান।
- প্রযুক্তিনির্ভর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চীনা ভাষা শিক্ষা এবং মাধ্যমিকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে চালুর তাগিদ।
- চট্টগ্রাম চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র, প্রকাশনা ও আধুনিক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
২৫ আগস্ট, মঙ্গলবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)-এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ-এর ওপর কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড ও কারিকুলামের ভ্যালিডেশন কর্মশালা’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, দুই দেশের 'সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব' এখন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, উচ্চপ্রযুক্তি, শিল্প ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে বিস্তৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, "চীনা ভাষা শুধু একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি বাণিজ্য, প্রযুক্তি, বৈশ্বিক কর্মসংস্থান ও অংশীদারিত্বের একটি কৌশলগত সেতু। রাজধানীর শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য অনলাইন ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সুবিধাজনক সময়ে চীনা ভাষা শেখার অন্তর্ভুক্তিমূলক সুযোগ তৈরি করতে হবে।"
তিনি আরও জানান, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাধ্যমিক শিক্ষায় তৃতীয় ভাষা চালুর ওপর জোর দিয়েছেন, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে চীনা ভাষা একটি অন্যতম বিকল্প হতে পারে।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চট্টগ্রামে বাস্তবায়নাধীন চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ বিভিন্ন শিল্প ও প্রযুক্তিখাতে বাংলাদেশি নাগরিকদের কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। চীনা ভাষায় দক্ষতা থাকলে তরুণ পেশাজীবীরা চীনা বিনিয়োগকারী ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন।
সভাপতির বক্তব্যে এনএসডিএ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সচিব ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেন, বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই কম্পিটেন্সি-বেজড কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে, যা তরুণদের বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও শিল্পখাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারিত করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএফএ) সভাপতি অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নু এবং ইনফরমাল সেক্টর ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিলের (আইএসসি) চেয়ারম্যান মির্জা নুরুল গনি শোভন। এছাড়া এনএসডিএ-এর কর্মকর্তা, প্রযুক্তি পরামর্শক ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা ও গবেষণা প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
//ডিবিটেক/এমএএম/এসএমই//





