সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যৌথ বৈঠকে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত
ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতত্ত্বে পর্যটন প্রযুক্তি
- জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২-৩ শতাংশ থেকে ৭-৮ শতাংশে উন্নীত করার সমন্বিত উদ্যোগ।
- দেশের ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আধুনিকায়ন ও কালচারাল ট্যুরিজমে জয়েন্ট টাস্কফোর্স গঠন।
- দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দ্রুত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও অভিন্ন নীতিমালা (এসওপি) প্রণয়ন।
দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোকে আধুনিক প্রকৌশল ও পর্যটন প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে জিডিপিতে পর্যটনের অবদান বাড়াতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। ২৪ আগস্ট, সোমবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সাথে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন' শীর্ষক এক আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প যার সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২-৩ শতাংশ, যা আমরা ৭-৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছি।" তিনি আরও জানান, দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হবে, যার পর স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন এবং 'জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম' গঠন করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, "আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পরিচিত করতে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে আধুনিক পর্যটন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন করা হবে। দেশের ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্স পরিদর্শন করবে এবং প্রকৌশল ও সংরক্ষণমূলক সিদ্ধান্ত নেবে।"
সভায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দেশের বিমানবন্দরে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য আধুনিক মাধ্যমে 'নজরুল বর্ষ'-এর প্রযুক্তিগত প্রচারণার প্রস্তাব করলে পর্যটন মন্ত্রী প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
//ডিবিটেক/ টিআইপি/এসএমই//





