টানা চতুর্থবার একই ভুল করলো গুগল
গুগলের নতুন ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন ‘পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ড’ বাজারে আসার পরপরই এর স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। জনপ্রিয় প্রযুক্তিভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল ‘জেরিরিগএভরিথিং’-এর সাম্প্রতিক এক স্থায়িত্ব পরীক্ষায় ফোনটির এই কারিগরি দুর্বলতা ধরা পড়ে।
পরীক্ষাটি পরিচালনা করেন চ্যানেলের প্রধান উপস্থাপক জ্যাক, যিনি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে স্যামসাংয়ের ‘গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮’ ফোনের স্থায়িত্ব পরীক্ষা করেছিলেন। স্যামসাং সে যাত্রায় সফল হলেও গুগল হতাশ করেছে।
একই নকশার ভুলের পুনরাবৃত্তি
পরীক্ষার শুরুতে যথারীতি ডিসপ্লেতে দাগ পড়ার স্ক্র্যাচ টেস্ট, স্ক্রিনে আগুনের তাপ দেওয়ার ফ্লেম টেস্ট এবং হিঞ্জের ভেতরের সহনশীলতা দেখতে ধুলোবালি ও বালু ছিটিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়। তবে আসল বিপর্যয় ঘটে যখন ফোনটিকে পেছন দিক থেকে হাত দিয়ে সজোরে বাঁকানোর ‘বেন্ড টেস্ট’ করা হয়। চাপের মুখে ফোনটি অ্যান্টেনা লাইনের ওপর দিয়ে মাঝখান থেকে ভেঙে যায়।
বিশ্লেষকরা জানান, গুগল তাদের টানা চারটি ফোল্ডেবল ফোনেই একই ধরনের নকশাগত ভুল করে চলেছে। অ্যান্টেনা বসানোর স্থানে বডি দুর্বল থাকায় প্রতিবারই ফোনগুলো চাপের মুখে সেখান থেকেই ভেঙে যাচ্ছে।
সামনের গ্লাস খুলে আসার ঘটনা
এবারের পরীক্ষায় শুধু অ্যান্টেনা লাইনের ফ্র্যাকচার বা ভাঙনই নয়, বরং চরম চাপের মুখে পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ডের সামনের গ্লাস বা ফ্রন্ট গ্লাসও মূল ফ্রেম থেকে পুরোপুরি আলাদা হয়ে খুলে বেরিয়ে আসে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ‘পিক্সেল ১০ প্রো ফোল্ড’ মডেলটি স্থায়িত্ব পরীক্ষার একদম শেষ পর্যায়ে ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ধোঁয়া ছেড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেই তুলনায় এবার অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা না ঘটলেও ফোনটির কাঠামোগত দুর্বলতা স্পষ্ট।
চড়া দামের একটি প্রিমিয়াম ফোনে বারবার একই ভুল টেকসই ফোনের বাজারে গুগলকে বেশ ব্যাকফুটে ঠেলে দিচ্ছে।
ডিবিটেক/বিএমটি । সূত্র: জিএসএম এরিনা





