বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের আধুনিকায়নে সরকারের বড় পরিকল্পনা
বোয়িং ও এয়ারবাস দুই-ই কিনবে বাংলাদেশ
- দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও দীর্ঘমেয়াদি বহর সম্প্রসারণে মিতব্যয়িতা বজায় রেখে প্রয়োজনীয় বিমান কিনবে সরকার
- জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে এয়ারলাইন্সের জন্য একটি টেকসই মিশ্র বহর গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে
বাংলাদেশের পর্যটন খাত ও বেসামরিক বিমান চলাচলকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নেওয়ার তাগিদ দিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত আছেন। গত ১৭ বছরের শাসনের পর অর্থনীতিকে ভালো অবস্থায় নিতে যেমন মিতব্যয়িতা অবলম্বন করতে হবে, তেমনি প্রয়োজনীয় জিনিসও কিনতে হবে। তাই দেশের বোয়িং এবং এয়ারবাস দুটিই প্রয়োজন এবং উভয়টিই কেনা হবে।
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনার পরিকল্পনা ফ্রান্স থেকে এয়ারবাস কেনার আগ্রহের সাথে সাংঘর্ষিক কি না অথবা এটি কোনো বাহ্যিক চাপের ফল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। আমাদের বোয়িংও প্রয়োজন, এয়ারবাসও প্রয়োজন। আমরা দুটিই কিনব।”
এর আগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এয়ারবাস বিমান কেনার আগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
উক্ত বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিয়াগা, জার্মানির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আনিয়া টারস্টাইন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের উপ-প্রধান বাইবা জেরিন অংশ নেন। ইউরোপীয় কূটনীতিকরা এয়ারবাস কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহকে স্বাগত জানান এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
//ডিবিটেক/ ডিডিএন/ইডিপি//





