শাবিপ্রবিতে শেষ হলো ‘সাস্ট কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল কার্নিভাল-২০২৬’

এআই দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিতে হবে

দেশের উচ্চশিক্ষাকে বৈশ্বিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে গবেষণা, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল কার্নিভালের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ পরামর্শ দেন।

এআই দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিতে হবে
১০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৩  

দেশের উচ্চশিক্ষাকে বৈশ্বিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় জোর দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে গত রোববার (১২ জুলাই) অনুষ্ঠিত ‘সাস্ট কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল কার্নিভাল-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এই পরামর্শ দেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এবং সিএসই সোসাইটির উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এই কার্নিভালের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মামুন। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শুধু সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, গবেষণামনস্কতা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাকে শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি এআই, তথ্যবিজ্ঞান, সাইবার নিরাপত্তা ও সফটওয়্যার উন্নয়নের মতো উদীয়মান প্রযুক্তিখাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

ইউজিসি সদস্য বলেন, কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা, উদ্ভাবন অনুদান, স্টার্টআপ তহবিল, কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্র এবং এডু আইডি চালুর মতো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের উচ্চশিক্ষা আরও কর্মমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম হবে।


অনুষ্ঠানে শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসাইন, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসতাবুর রহমান, বিকাশের প্রধান পণ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজমল হুদা এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ রাব্বী।

দুই দিনব্যাপী এই কার্নিভালে অনুষ্ঠিত হয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, হ্যাকাথন ও প্রযুক্তিবিষয়ক সেমিনার। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
//ডিবিটেক/এসইউসি/ইডি//