মোবাইল প্রযুক্তি শিল্প জাতীয় অগ্রাধিকার খাত, বিদেশি বিনিয়োগে আরও সুবিধা দেবে সরকার

মোবাইল ডিভাইস উৎপাদন সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা জানালেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। বলেছেন, মোবাইল ফোন উৎপাদন ও প্রযুক্তি শিল্পকে সরকার জাতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতিগত সহায়তা, প্রতিযোগিতামূলক কর কাঠামো ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

মোবাইল প্রযুক্তি শিল্প জাতীয় অগ্রাধিকার খাত, বিদেশি বিনিয়োগে আরও সুবিধা দেবে সরকার
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২৪  

মোবাইল ফোন উৎপাদন ও প্রযুক্তি শিল্পকে জাতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি খাতের সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে স্মার্ট ডিভাইস উৎপাদন ও প্রযুক্তি বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

১৩ জুলাই, সোমবার, সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেছেন  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, কোরিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব লি নামসু এবং স্যামসাং ইলেকট্রনিক্সের কান্ট্রি ম্যানেজার জাংমিন জং উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি আস্থাশীল ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আরও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কর কাঠামোকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা, প্রয়োজনীয় প্রণোদনা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিদেশি বিনিয়োগের আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করা।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের হাতে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ডিজিটাল সেবার সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে স্মার্ট ডিভাইস নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে।

কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনার প্রশংসা করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও সহজতর ভিসা ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, এতে বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ সহজ হবে।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কার গ্রহণ করা হবে, যাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ হয়।

সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 
//ডিবিটেক/জেডইউ/এসএমআই//