লাইভ ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা যাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ও কাজের অগ্রগতি; উদ্বোধন করলেন প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ডিএসসিসির ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপ উদ্বোধন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চালু হলো ‘ক্লিন কেয়ার’ (Clean Care) ডিজিটাল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ৭ জুলাই, মঙ্গলবার ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম নগর ভবনে এই অ্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা বর্জ্য ও ড্রেনেজ সংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি জানাতে এবং লাইভ ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে ডিএসসিসির ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপ উদ্বোধন
৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৫  

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ‘ক্লিন কেয়ার’ ডিজিটাল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ৭ জুলাই, মঙ্গলবার ডিএসসিসির নগর ভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই নাগরিক সেবা অ্যাপটির উদ্বোধন করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘পরিচ্ছন্ন শহর, সচেতন জীবন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চালু হওয়া এই অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী বর্জ্য অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা এবং ড্রেনেজ সমস্যা-সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ সরাসরি কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন। একই সঙ্গে অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ নিষ্পত্তির লাইভ অগ্রগতি, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ও মোবাইল নম্বর লাইভ ট্র্যাক বা পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা। অভিযোগের বিপরীতে গৃহীত পদক্ষেপে নাগরিকরা তাদের সন্তুষ্টির প্রতিক্রিয়া বা রেটিংও জানাতে পারবেন। সেবাটি পেতে গুগল প্লে-স্টোর থেকে ইংরেজিতে ‘ক্লিন কেয়ার’ (Clean Care) অ্যাপটি ডাউনলোড করে মোবাইল নম্বর দিয়ে সহজে সাইন-ইন করা যাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, “বর্তমান বিশ্বের উন্নত নগরীগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডেটা অ্যানালিটিক্সভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই ডিএসসিসি এই ডিজিটাল সিস্টেম চালু করেছে।” তিনি আরও বলেন, এই সিস্টেমে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন এলাকায় কী ধরনের বর্জ্য বেশি সৃষ্টি হচ্ছে এবং কোথায় অতিরিক্ত জনবল বা যানবাহন প্রয়োজন—তা নির্ণয় করে তথ্যভিত্তিক ও ব্যয়-সাশ্রয়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি এই অ্যাপটিকে নাগরিক ও সিটি করপোরেশনের মধ্যে ‘একটি কার্যকর ডিজিটাল সেতুবন্ধন’ হিসেবে অভিহিত করেন।

ডিএসসিসির সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ডিজিটাল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতিটি ধাপ আরও দক্ষতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ, সমন্বয় ও মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে, যা একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও স্মার্ট ঢাকা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. মাহবুবুর রহমান।

//ডিবিটেক/ডিটিও/ইকে//