লক্ষ্য ১০-১২ বিলিয়ন ডলারের বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার খাতকে উৎপাদনমুখী শিল্পে রূপান্তর ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ
১৬ জুলাই ঢাকায় শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ‘বি-বিউটি টেক এক্সপো-২০২৬’
বাংলাদেশের বিউটি, কসমেটিক্স, পার্সোনাল কেয়ার, ওয়েলনেস এবং বিউটি টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রিকে আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে আগামী ১৬ জুলাই থেকে ঢাকার আইসিসিবি-তে শুরু হতে যাচ্ছে ৩ দিনব্যাপী ‘বি-বিউটি টেক এক্সপো-২০২৬’। ওয়েম বাংলাদেশ লিমিটেডের আয়োজনে এই এক্সপোতে বাংলাদেশসহ ৮টিরও বেশি দেশের ৬০টির বেশি এক্সিবিটর ও ১২০টির বেশি ব্র্যান্ড অংশ নেবে।
দেশের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক বিটুবি (B2B) ট্রেড এক্সিবিশন ‘বি-বিউটি টেক এক্সপো-২০২৬’ আগামী ১৬ জুলাই থেকে ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে শুরু হতে যাচ্ছে। আজ রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন এক্সপোর আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়েম বাংলাদেশ’।
সংবাদ সম্মেলনে এক্সপোর বিস্তারিত তুলে ধরেন ওয়েম বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক নাসিমুর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়েম বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেখ মোহাম্মদ আরিফ এবং হারমনি স্পা'র সিইও রহিমা সুলতানা রিতা।
আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার ইন্ডাস্ট্রিকে আমদানিনির্ভরতা থেকে বের করে উৎপাদনভিত্তিক শিল্প অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। বর্তমানে এই খাতের দেশীয় মার্কেটের আনুমানিক আকার ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আগামী বছরগুলোতে এটি বার্ষিক ৬ থেকে ৯ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম। বর্তমানে বিউটি সালোন, স্পা, ওয়েলনেস সেন্টার, কসমেটিক্স রিটেল, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক ও ম্যানুফ্যাকচারিং সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে প্রায় ৪ থেকে ৫ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। এই এক্সপোর মাধ্যমে সঠিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি স্থানান্তর নিশ্চিত করা গেলে আগামী এক দশকে আরও ৫ থেকে ৮ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
বর্তমানে প্রিমিয়াম কসমেটিক্স, স্কিনকেয়ার, অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস, বিউটি ডিভাইস ও প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়ালসের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হওয়ায় বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। এই বাস্তবতাকে সুযোগে পরিণত করতে, স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এবং বিদেশি বিনিয়োগ টানতে এটি একটি আন্তর্জাতিক B2B বিজনেস ম্যাচিং, ইনভেস্টমেন্ট ও টেকনোলজি ট্রান্সফার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
তিন দিনব্যাপী এই এক্সপোতে বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) ৮টিরও বেশি দেশের ৬০টিরও বেশি এক্সিবিটর এবং ১২০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করবে। এছাড়াও ৮ হাজারেরও বেশি শিল্প সংশ্লিষ্ট দর্শনার্থী ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধি এই প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এক্সপোতে বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তির আধুনিক ব্যবহারকেও বিশেষভাবে সামনে আনা হবে।
//ডিবিটেক/এসএসসি/ইকে//





