পহেলা বৈশাখে ৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড; আবেদন অনলাইনে
বাংলা ১৪৩৩ সনের প্রথম দিনে (১৪ এপ্রিল, ১ বৈশাখ) পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উদ্বোধনের পর দেশের ৮ বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা বীজ, সার, সেচ, কৃষি ঋণ এবং খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে বিশেষ অনুদানসহ ১০টি সুবিধা পাবেন। ইউনিয়ন পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বা অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এনআইডি (NID), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ফোন নম্বর, জমির প্রমাণপত্র, এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে কার্ডের আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের জন্য সরকার মাইগভ (myGov) বা নির্দিষ্ট পোর্টালের ব্যবস্থা রেখেছে
৩০ মার্চ, সোমবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধনের পরিকল্পনার কথা জানান খোদ প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি। এভাবেই দেশ এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে শুরু হলো ‘ক্রীড়া কার্ড’।
প্রাক-পাইলট পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এরপর দেশের ৮ বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো- টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ।’
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে। চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এ ছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করবে।
সূত্রমতে, কৃষি বিমা, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ এবং স্মার্ট কৃষি কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়া ও রোগবালাই সংক্রান্ত আগাম তথ্য পাওয়া যাবে।
ডিবিটেক/এনআই/এমইউএম



