টেকসই কৃষি চর্চা নিয়ে ঢাকায় ‘অ্যাগ্রো-ফাউন্ডার কানেক্ট’ অনুষ্ঠিত

টেকসই কৃষি চর্চা নিয়ে ঢাকায় ‘অ্যাগ্রো-ফাউন্ডার কানেক্ট’ অনুষ্ঠিত
৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০০:০৪  
৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:০৭  

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শতাধিক এগ্রিটেক উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন অংশীদারদের নিয়ে রাজধাীর ইন্টারঅ্যাক্টিভ কেয়ারস স্কিল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো অ্যাগ্রো-ফাউন্ডার কানেক্ট। অনুষ্ঠানে কৃষি খামার, এগ্রি-টেক স্টার্টআপ এবং রফতানিকারকরা তাদের অভিজ্ঞতা, কৌশল এবং সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। এছাড়াও প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, টেকসই কৃষি চর্চা এবং নতুন বাজারে প্রবেশ নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন সেশনে বিশেষজ্ঞরা কৃষি, এগ্রি-টেক স্টার্টআপ এবং পণ্য রফতানি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ইন্টারন্যাশনাল ফার্টিলাইজার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (আইএফডিসি) কান্ট্রি ডিরেক্টর মুন্তাসির শাকিব খান আধুনিক কৃষি চর্চা ও ডিজিটাল টুলসের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। ফ্রেশি ফার্মের জাহিদুল ইসলাম জাহিদ হাই-ভ্যালু কৃষি পণ্যের সম্ভাবনা ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগের দিকগুলো শেয়ার করেন। এক্সপোর্ট সেবা’র জাহিদ হোসেন উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ এবং রফতানি সম্প্রসারণের কৌশল নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

অংশগ্রহণকারীরা মূল্য সংযোজিত কৃষি, টেকসই চর্চা এবং রফতানির প্রস্তুতি নিয়ে নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রশ্নোত্তর পর্বে, যেখানে উদ্যোক্তারা একে অপরের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশে কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার উদ্দেশ্যে ৭ নভেম্বর শুক্রবার  এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলো লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস। অনুষ্ঠানে লাইট অব হোপ ভেঞ্চারসের প্রতিষ্ঠাতা ওয়ালিউল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশে আগামী প্রজন্মের প্রভাবশালী স্টার্টআপগুলো কৃষি খাত থেকেই আসবে। অ্যাগ্রো-ইনোভেশন শুধু প্রযুক্তি নয়, এটি জীবনযাত্রা উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যেখানে উদ্যোক্তারা আইডিয়া শেয়ার করতে, অংশীদারিত্ব গড়তে এবং একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারে। লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস এই সংযোগগুলোকে বাস্তব ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস নিজেকে গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশের এসএমই খাতের জন্য ‘ওয়াই কমবিনেটর’ হিসেবে। এটি কৃষি, শিক্ষা, উৎপাদন, সেবা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তাদের মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ সংযোগ এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেয়। এখন প্রায় ৮টি খাতে ১,০০০-এর বেশি স্টার্টআপ ও এসএমই উদ্যোক্তা এই ভেঞ্চারসের অংশ।